ছাতকে দেড় শতাধিক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৫০
ছাতক (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা ছাতকে সরকারি গাছ কাটার মহোত্সবে মেতে উঠেছে একটি চক্র। গ্রাম পঞ্চায়েতের দোহাই দিয়ে চক্রটি অবৈধভাবে সরকারি গাছ কেটে সাবাড় করছে। গত এক সপ্তাহ ধরে নিয়মিতভাবে গাছ কাটার উত্সব চলছে হায়দরপুর-শ্রীপতিপুর সড়কের দু’পাশে। উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়নের হায়দরপুর-শ্রীপতিপুর সড়কের উভয় পাশের প্রায় দেড় শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির বড়-বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আরো শতাধিক গাছ কাটার তালিকা করে ক’টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে টানা করাত, কুঠার ও দা’র মাধ্যমে একের পর এক এসব গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। রাস্তায় দীর্ঘদিনের পুরনো গাছগুলো কোন কারণ ছাড়াই কেটে ফেলায় এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দেড় শতাধিক গাছ কেটে ইতিমধ্যেই বিক্রি করা হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১০ লক্ষাধিক টাকা। চুক্তি ভিত্তিতে এসব গাছ বিক্রি করা হয়েছে বলে গাছ কর্তনকারী শ্রমিকরা জানিয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি ও গাছ কাটার শ্রমিকরা জানান, ভাতগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওলাদ আলী মাস্টার ও গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব বৃক্ষ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। গাছ বিক্রির টাকা ইউনিয়ন পরিষদ ফান্ডে রাখা হবে বলে তারা জানায়। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আওলাদ আলী মাস্টার জানান, বৈদ্যুতিক লাইন টানতে কিছু গাছের ডাল কাটার কথা বলেছে পল্লী বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ। সে হিসেবে ডাল-পালা ছাঁটাইয়ের কথা বলা হলেও এখানে গাছ কাটার কথা বলা হয়নি। খবর শুনে তাত্ক্ষণিক তিনি গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানান। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আইনুর আক্তার পান্না জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।