গাইডলাইন

পিছিয়ে পড়াদের উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৩, ১৮:৪১
১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রতি বছরই বিভিন্ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, প্রকাশিত হয় বর্ণাঢ্য ফলাফল। যারা সফল হয় তাদের গল্প আমরা জেনে যাই। কিন্তু যারা বিফল হয়েছে তাদের খবর কেউ রাখি না। গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লাখ ২৯ হাজার ২০৮ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৩ জন। উত্তীর্ণ হয়েছিল ৭ লাখ ২১ হাজার ৯৭৯ জন। অনুত্তীর্ণ ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৬৯৪ জন। পরীক্ষা দেয়নি ১১ হাজার ৫৩৫জন। সর্বমোট অকৃতকার্য ২ লাখ ০৭ হাজার ২২৯ জন। আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬১ হাজার ১৬২ জন। যা তার আগের বছরের তুলনায় ২১,৩৯৩ জন বেশি। তবে ওই বছরের তুলনায় গত বছর ১,৫২,৮৪৫ জন শিক্ষার্থী বেশি পরীক্ষা দেয়। উল্লেখ্য যে, ২০১০ সালে এসএসসি সমমান পরীক্ষায় ৭৬ হাজারেরও বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছিল যা এইচএসসিতে ১৫ হাজারের মতো কম পেয়েছে। আর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছর এ+ (৮০-১০০) পেয়েছিল ৬১,১৬২ জন, এ (৭০-৭৯) ২,২১,৬৩৯ জন, এ- (৬০-৬৯) ১,৪৬,১৬২ জন, বি (৫০-৫৯) ১,২৬,৫৮১ জন, সি (৪০-৪৯) ১,৪৫,৭২২ এবং ডি (৩৩-৩৯) পেয়েছিল ২০,৭১৩ জন। সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও বুয়েটে ভর্তির জন্য চেষ্টা করে; এ-, এ ও এ+ প্রাপ্ত ৪,২৮,৯৬৩ জন। বাকি বি, সি বা ডি গ্রেড প্রাপ্ত ২,৯৩,০১৬ জন শিক্ষার্থী ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদনই করতে পারেনি। এই পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ভেঙে পড়লে চলবে না। তাদেরকে এর বিকল্প খুঁজতে হবে। না এটা নিছক কোনো সান্ত্বনা নয়। কারণ চোখ কান খোলা রেখে সময়মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারলে এ জাতীয় শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের অপার সুযোগ। আর এই সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে মালয়েশিয়ার একমাত্র সৃজনশীল এবং বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি (www.limkokwing.edu.my)। এসএসসি পাসের পর অথবা এইচএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীগণ ১ বছর মেয়াদি ইউনিভার্সীিট ফাউন্ডেশন প্রোগ্রাম (ইউএফপি) সম্পন্ন করে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর ও অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে পারবে এবং এই ব্যাচেলর ও অনার্স কোর্স সম্পন্ন করার পর ১ বছর মেয়াদি মাস্টার্স কোর্সও সম্পন্ন করতে পারবে। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী ও ইউএফপি’তে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর মধ্যে তুলনা করলে দেখা যায়, এইচএসসিতে অকৃতকার্য একজন শিক্ষার্থী একজন কৃতকার্য শিক্ষার্থীর আরও ২ বছর আগে মাস্টার্স সম্পন্ন করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বিপুল পরিমান অর্থ সাশ্রয়সহ আন্তর্জাতিকমানের সার্টিফিকেট, বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষা, চাকরি এবং গ্লোবাল সিটিজেন হওয়ার মতো সুবর্ণ সুযোগও পেতে পারে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে :৯৮৯১৯১৯, ০১৭২০৫৫৭১৮০/৯০ অথবা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ, প্লট-২, গুলশান সার্কেল-২, ঢাকা। উল্লেখ্য যে, বিশিষ্ট শিক্ষা উদ্যোক্তা লায়ন এম কে বাশার (চেয়ারম্যান- ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ), এসএসসি বা এইচএসসি-তে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক কারণে বা মনোবল ভেঙে যাওয়ার ফলে অথবা পাস করেও ভালো কোথাও ভর্তি হতে ব্যর্থ হওয়ায় শিক্ষাজীবন থেকে এক রকম যারা ঝরে পড়ছিল, তাদেরকে ক্যামব্রিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিশ্বখ্যাত লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন প্রোগ্রামে ভর্তির মাধ্যমে উন্নত উচ্চশিক্ষা গ্রহণের এক অভূতপূর্ব সুযোগ দিতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে প্রচুর ঝরে পড়া বা অন্ধকার গলিতে হারিয়ে যাওয়া তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের নতুন জীবন ফিরে পাবে বলে আশা করা যায়।