মিয়ানমারের সরকারের শাসনাধীনে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতায় দেশটি এখন গণতন্ত্রের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান পরিবর্তনকে পশ্চিমা নেতারাও অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট থেইন সেইনকে আখ্যা দিয়েছেন ‘প্রকৃত হিরো’ হিসাবে। কিন্তু ক্রমান্বয়ে বেড়ে ওঠা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা যেন দেশটির সংস্কার প্রক্রিয়ায় বাঁধ সাধছে। তাছাড়া প্রথম মেয়াদে ওবামা প্রশাসনের নেয়া পররাষ্ট্রনীতির সফলতাকেও অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। খবর ডন অনলআইনের।
ওয়াশিংটন বলছে, মিয়ানমারের গতিপ্রকৃতি এখনো ইতিবাচক। তবে পূর্বাবস্থার মত সামরিক শাসনের দিকে ফিরে যায় কি না তা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্লেষকরা। বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যকার সংঘর্ষে গত দুই সপ্তাহে প্রাণ হারিয়েছে অসংখ্য মানুষ। ব্যাপক রক্তপাতের আশঙ্কায় গৃহহীন হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। ছোট নৌকা নিয়ে পাড়ি জমিয়েছে সাগরে। দেশটির সাথে উত্তর কোরিয়ার এখনো প্রচ্ছন্ন কোন সম্পর্ক আছে কি না এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা এখন চিন্তিত। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক স্টেট অব দি ইউনিয়ন ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, দেশ দুইটির সম্পর্ক এখন স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
