আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন মানবতাবাদী কবি

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৬
লোককবি আবদুল হাই মাশরেকীর জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, কবির সত্তর বছর পূর্বে লেখা ‘হে আমার দেশ’ কবিতাটি মনে হয় শাহবাগের প্রজন্ম আন্দোলনে বসেই তিনি আজ রচনা করেছেন। তার এই কালোত্তীর্ণ কবিতাগুলো মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। কবির আদর্শ, চিন্তা ও চেতনা যদি আমরা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছাতে পরতাম তাহলে আজ এতো অবক্ষয়ের পরিণতি চিত্র ও অস্থিরতার জীবন অতিবাহিত করতে হতো না। এ থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে হলে কবি আবদুল হাই মাশরেকীর সাহিত্য কর্ম প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে হবে। অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী এই কবিকে সামনে রেখেই আমাদের দেশকে গড়তে হবে। লোককবি আবদুল হাই মাশরেকীর ৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার শওকত ওসমান মিলনায়তনে সমাপনী দিনে বক্তারা এসব কথা বলেন। লোককবি আবদুল হাই মাশরেকী সাংস্কৃতিক পরিষদ ও গুণীজন ডট কম এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কথা সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফাইজুস সালেহীন, অভিনেতা ও সুরকার শংকর সাওজাল, ছড়াকার প্রণব চক্রবর্তী, কবি আসলাম সানি। আলোচক ছিলেন কবি এম আর মঞ্জু, কথা সাহিত্যিক জামাল উদ্দীন ও কবি পুত্র সাংবাদিক নঈম মাশরেকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. বিশ্বাস শাহিন হাসান। এ সময় কবির রচিত গল্প অবলম্বনে ‘নীল পাহাড়’ নাটক নাট্যযোদ্ধা পরিবেশন করে। দ্বিতীয় দিনে কবির রচিত ‘এসো গণতন্ত্র গড়ে তুলে নতুন দিনের.... গণসঙ্গীত বিষয় করে আলোচনা ও “রাখালবন্ধু” পালাগান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি নূরুল হুদা। উদ্বোধক ছিলেন রাখালবন্ধু পালাগানের প্রথম কণ্ঠ শিল্পী ইলা নন্দী।