বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের নতুন কিছু স্থাপনাকে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন-কেপিআই) আওতায় এনে বিশেষ নিরাপত্তা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কেপিআইভুক্ত হয়নি এমন বিদ্যুত্ কেন্দ্র এবং অন্য স্থাপনার তালিকা তৈরি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার বিদ্যুত্ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফয়েজ আহমেদের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বিদ্যুত্ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পাঁচটি বিতরণ কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সমপ্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বিদ্যুত্ উপকেন্দ্রে হামলার পর থেকে বিদ্যুেকন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য গত ৫ মার্চ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার ও বাড়তি সতর্কতা গ্রহণের জন্য সব প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে বিদ্যুত্ বিভাগ। পাশাপাশি সব জেলা প্রশাসককেও চিঠি দেয়া হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, নাশকতা ঠেকাতে বাড়তি সতর্ক ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো)। ডিপিডিসির মোট উপকেন্দ্রের সংখ্যা ৪০টি। এর মধ্যে বেশিরভাগই কেপিআই অন্তর্ভুক্ত। ডেসকোর ২৭টি উপকেন্দ্রের মধ্যে আটটি কেপিআই তালিকাভুক্ত। আরইবির ৪৫৭টি উপকেন্দ্র আছে। এগুলোর কোনোটিই কেপিআইভুক্ত নয়। যেসব স্থাপনা কেপিআই হয়নি সেগুলো কেপিআইভুক্ত করার জন্য তালিকা তৈরি করে খুব শিগগির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়। বর্তমানে কেপিআইভুক্ত ১০টি বিদ্যুেকন্দ্রসহ কয়েকটি স্থাপনায় সেনাবাহিনী মোতায়েন আছে।
