সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এজে মোহাম্মদ আলী বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার এ প্রচেষ্টা চতুর্থ সংশোধনীর সময়কার কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমরা চতুর্থ সংশোধনীর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশ চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার হরতালের সমর্থনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত সমাবেশে তিনি একথা বলেন। এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, পরামর্শের বদলে শলা-পরামর্শ করে আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বিচারক নিয়োগে এই ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত সংগ্রামের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা হবে।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সমাবেশে ফোরামের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী প্রমুখ।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, দেশ আজ মহাসংকটে। সরকার যেভাবে গ্রেফতার শুরু করেছে, হয়তো অচিরেই কোন গাড়ি ভাংচুরের মামলায় আমাদের গ্রেফতার করতে পারে। তিনি বলেন, সরকার মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে বিরোধী দলের নেতাদের গ্রেফতার করে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। গ্রেফতার, নির্যাতন ও নিপীড়ন করে কখনো আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। সরকার পতনের এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
মাহবুব উদ্দিন খোকন এমপি বলেন, এই সরকার আদালতকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। যেসব মামলায় বিএনপি নেতাদের জামিন আবেদন নাকচ করেছে নিম্ন আদালত সেইসব মামলায় যেকোনো লোক জামিন পেতে পারেন। কিন্তু সরকার নিম্ন আদালতকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের কারণেই আমাদের নেতাদের জামিন হয়নি।
