ইইএফের খাদ্য ও কৃষি প্রকল্পে ব্যয়ের সীমা বৃদ্ধি

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৪৪
ইক্যুইটি অ্যান্ড এন্টাপ্রেনিয়ারশিপ ফান্ডের (ইইএফ) খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিখাতভুক্ত মূলধনী যন্ত্রপাতি নির্ভর প্রকল্প ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ কোটি টাকা করা হয়েছে। তবে ইক্যুইটি ও ইইএফ সহায়তার অনুপাত ৫১:৪৯ বহাল রাখা হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের ইইএফ ইউনিট এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সকল তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিখাতভুক্ত প্রকল্প মঞ্জুরিতে একই পরিবারে একাধিক প্রকল্প অনুমোদন না দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিবার বলতে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ -এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির স্ত্রী,স্বামী, পিতা-মাতা, পুত্র-কন্যা, ভাই-বোন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল সকলকে বুঝাবে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, মূলধনী যন্ত্রপাতি নির্ভর খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষি খাতভুক্ত প্রকল্প ছাড়া এ খাতের অন্যান্য ক্ষেত্রে মোট প্রকল্প ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ কোটি অপরিবর্তিত থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ইই ফান্ডের সরেজমিনে পরিদর্শন সাপেক্ষে ঋণ সমন্বয় হারের বিশ্লেষণ করে কৃষিখাতে চলতি মূলধন ঋণের বিপরীতে প্রকৃত চাহিদার পরিমাণ যাচাই করতে হয়। এ চলতি মূলধন ঋণের পরিমাণ মঞ্জুরিকৃত প্রকল্প ব্যয়ের ৫১ শতাংশের অধিক হবে না। ইইএফের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত প্রকল্পের স্থায়ী সম্পদ যেমন- ভূমি, ভবন ও যন্ত্রপাতি বন্ধকের ব্যয়ের ৫১ শতাংশ বিনিয়োগ দেখাতে পারবে। যার যাবতীয় দলিল আইসিবিকে সরবরাহ করতে হয়।