ইনানী বীচের টোলের টাকা লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৩, ২২:০০
কক্সবাজারের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্যটন স্পট ইনানী সী-বীচের খাস কালেকশনের আওতায় টোল আদায় করার কারণে টোল আদায়ের টাকার সিংহভাগ লুট হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকার প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা গেছে, পর্যটন স্পট উখিয়ার ইনানী বীচের পর্যটন পরিবহনে যাত্রী সেবায় নিয়োজিত বড় বাস ১শ টাকা, ছোট বাস ৫০ টাকা, লোহা ৪০ টাকা, জীপ ৩০ টাকা, মাইক্রোবাস ৪০ টাকা ও সিএনজি বেবিট্যাক্সি প্রতি ১৫ টাকা করে টোল পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জেলা বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি প্রতি অর্থ বছরে ইনানী বীচ প্রকাশ্যে নিলাম ইজারা দিয়ে সর্বোচ্চ নিলাম ডাককারী বা সংস্থাকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ইনানী বীচ ইজারা দিয়ে সরকার এ খাতে প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব আদায় করে আসছিল। চলতি অর্থ বছরে বীচ নিলামে সরকারি ডাকে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ায় বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ইনানী বীচ ইজারা না দিয়ে খাস কালেকশনের আওতায় নিয়ে আসে। এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে বিভিন্ন কারণে পর্যটক সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। তথাপিও টোলের টাকা যথারীতি আদায় করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যতদ্রুত সম্ভব ইজারাদার নিয়োগ দিয়ে তার মাধ্যমে টোল আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে।