সিরিয়ায় বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছে। ২০১২ সালের জুলাই থেকে বিভিন্ন দোকান, হাসপাতাল এবং বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্য করে চালানো বিমান হামলায় এ যাবত্ ৪,৩০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। আর এভাবে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালানোর ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ বলে বৃহস্পতিবার মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে। এদিকে দেশটির বিরোধীদলীয় নেতারা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির সাথে এক বৈঠকে নতুন করে অস্ত্র সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে। সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত যুদ্ধাঞ্চলে “ডেথ ফ্রম দ্যা স্কাইস” শিরোনামে গবেষণা চালিয়েছে নিউইয়র্কভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। গবেষণায় দেখা যায়, বহু বেসামরিক জনগণ এবং চারটি দোকান ও দু’টি হাসপাতালে বিমান আক্রমণ চালানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয় জনগণকে লক্ষ্য করে চালানো এই হত্যা ইচ্ছাকৃত। এটি যুদ্ধের বিধি-বিধানের মারাত্মক লংঘন। ওদিকে লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও জি-৮ সদস্যদের দু’দিনের মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলনের একফাঁকে সিরিয়ার বিদ্রোহী দল সিরিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশনের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিরোধীদলীয় প্রধানমন্ত্রী ঘাসান হিত্তোও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় অস্ত্র সাহায্যের দাবির প্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি বলেন,‘ তাদের প্রাণঘাতী অস্ত্র নয়, শুধু যোগাযোগের উপকরণ, খাবার ও চিকিত্সা সামগ্রী সাহায্য হিসাবে দেয়া হবে।’
