বাগেরহাটে যুবলীগ কর্মী কালু শেখ (২৬) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পৌর মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান হাবিবুর রহমানের দুই শ্যালক ও তিন ভাতিজার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও সাত-আটজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। গত বুধবার রাতে নিহত কালুর মা মঞ্জু বেগম বাগেরহাট মডেল থানায় মামলাটি করলেও পুলিশ এজাহারভুক্ত কোনো আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি।
বাগেরহাট গণপূর্ত অধিদফতরের একটি দরপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে গত সোমবার রাতে পৌর মেয়র খান হাবিবুর রহমান এবং পৌর যুবলীগ সভাপতি পৌর কাউন্সিলর শিপন মিনার নেতৃত্বাধীন দুই পক্ষের সংঘর্ষে বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের নির্বাহী সদস্য কালু শেখ (২৬) মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মঙ্গলবার সকালে মারা যান।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘মামলার পাঁচ আসামি হলেন- পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমানের তিন ভাতিজা খান আবু বক্কর সিদ্দিক, শহীদ খান, আলী খান এবং দুই শ্যালক শেখ ইদ্রিস আলী ও শেখ মিজানুর রহমান বাবু। পুলিশের অভিযান চলছে, এখনো কোনো আসাসি গ্রেফতার হয়নি।
