ফ্যাশন ডিজাইনে পড়তে

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৩, ১৬:০৯
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পাল্টে গেছে অনেক কিছুই। এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে পেশার ক্ষেত্রেও। সৃজনশীল পেশার নানাক্ষেত্রই উন্মোচিত হচ্ছে এ সময়। ঠিক এমনি একটি যুগোপযোগী পেশা ফ্যাশন ডিজাইন। পোশাক নিয়ে মানুষের সৌন্দর্যচেতনাই এ পেশার মূল ভিত্তি। এখন অনেক তরুণ-তরুণী নিজেকে এই পেশায় সম্পৃক্ত হতে এই বিষয় নিয়েই পড়াশোনা করতে আগ্রহী। তাদের জন্যই কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হলো। ভর্তির যোগ্যতা :আমাদের দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইএফটি) চালু করেছে ফ্যাশন ডিজাইনে বিএসসি অনার্স ইন ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, নিটওয়্যার ম্যানুফেকচার অ্যান্ড টেকনোলজি, টেক্সটাইল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, অ্যাপারেল টেক্সটাইল । এ ছাড়াও ফ্যাশন ডিজাইন এবং মার্চেন্ডডাইজিংয়ে ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্স রয়েছে। এই কোর্সগুলোতে ভর্তির জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমান পাস হতে হবে। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :১৪৬, ওয়ারলেস গেট, মহাখালী, ঢাকা। কথা বলতে পারেন এই নম্বরে ০১৭৩১২২০০৯৯, ০১৯৭১৩৩৯৯৯৯। ডিজাইনারের কাজ :প্রতিযোগিতার বাজারে একজন ডিজাইনারকে অনেক দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে কাজ করতে হয়। দিন দিন কদর বাড়ছে ফ্যাশন ডিজাইনারের। সেই সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্যাশল ডিজাইন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে চাকরির সুযোগ। রয়েছে গার্মেন্টস, বায়িং হাউস, বুটিক হাউস, ফ্যাশন হাউসসহ নানা প্রতিষ্ঠানের কাজের সুযোগ। এ ছাড়া ফ্যাশন ডিজাইন এক্সিকিউটিভ কনসালটেন্ট, প্রোডাক্ট ডেভেলপার, এক্সপোর্টার ইম্পোর্টার হিসেবে কাজের প্রচুর সুযোগ। বাংলাদেশের ফ্যাশন ডিজাইনের ক্যারিয়ার খুবই উজ্জ্বল। দেশ এবং দেশের বাইরে রয়েছে এর প্রচুর চাহিদা। দেশের গার্মেন্ট শিল্পে দক্ষ জনশক্তির অভাব রয়েছে, যা ফ্যাশন ডিজাইনে কোর্স করা ব্যক্তিরা পূরণ করতে পারে।