‘খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে সুবিধা দিতে হবে কৃষকদের’

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৩, ২০:১৩
বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা একটি বড় ধরনের সমস্যা। এজন্য সরকার খাদ্য নীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি পণ্য উত্পাদনই প্রধান বিষয়বস্তু নয়। এর সাথে পণ্যের গুণগত এবং পুষ্টিগত মান মুখ্য। পণ্যের দাম এবং সরবরাহের সম্পর্কও থাকা জরুরি। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন। বক্তারা আরো বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তার চালিকা শক্তি কৃষক। কৃষকদের নানা ধরনের সুবিধা দিতে হবে। পণ্য উত্পাদন এবং দামের ভর্তুকিও দিতে হবে তাদের। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাদাত উল্লা এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুঁইয়া, এফ এ ও এর গবেষণা মঞ্জুরি প্রশাসক ড. নূর আহমেদ খন্দকার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেছেন, কৃষিতে ভর্তুকি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। কারণ এই ভর্তুকি ছোট ছোট কৃষকদের হাতে পৌঁছায় না। ফলে অধিকাংশই ভোগ করছে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। কৃষিতে ভর্তুকি দিলেই হবে না। সব শ্রেণির কৃষকের কাছে ভর্তুকি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভুঁইয়া বলেছেন, ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানোর কারণে কৃষকরা ব্যালেন্স ফার্টিলাইজার এর প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য উত্পাদনের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নীতির প্রতি গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন। বিনিয়োগের পাশাপাশি কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহারকে বাড়িয়ে দিতে হবে। ড. নূর আহমেদ খন্দকার বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সরকারের কুড়ি লাখ ডলারের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েই এক লাখ ডলারের প্রকল্পের কাজ চলছে ।