ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৪০ কিমি যানজট

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪৫
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু একসেস রোডের ১৪০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশাল এলাকা জুড়ে যানজট থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকেই এ মহাসড়কে অসহনীয় যানজট শুরু হয়। এ মহাসড়কে যানজট এখন মহাদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে বলে বাস শ্রমিক এবং যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে ভয়াবহ যানজটের দৃশ্য। হাইওয়ে পুলিশ এবং থানা পুলিশ যানজটের ঘটনা স্বীকার করে বলেছে, যানজট নিরসনে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। জানা গেছে তিনদিনের হরতালের কারণে এবং পহেলা বৈশাখের ছুটি থাকায় বিভিন্ন রুটের যানবাহন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের ১৭টি জেলার এবং টাঙ্গাইলের ১০টি রুটের যানবাহন চলাচলের ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানায়, একদিকে রাস্তায় প্রচুর যানবাহন অপরদিকে রাতে এবং সকালে মহাসড়কের ৪/৫টি স্থানে কয়েকটি মালভর্তি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের চন্দ্রা-বাইপাইল, চন্দ া-জয়দেবপুর এবং চন্দ্রা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত যানজটে নাকাল হাজার হাজার যাত্রী। যাত্রীদের অভিযোগ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু পর্যন্ত ১৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যেখানে দুই ঘন্টা লাগার কথা সেখানে ১০/১১ ঘণ্টায়ও পাড়ি দেয়া যাচ্ছে না । গতকাল মহাসড়কের ক্যাডেট কলেজ, হাটুভাঙ্গা, গোড়াই, ধেরুয়া, দেওহাটা, উচাইল, ধল্যা, পাকুল্লা, জামুর্কি, নাটিয়াপাড়া ও করটিয়া এলাকায় দেখা গেছে ভয়াবহ যানজট। এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার পুলিশ এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি যোবাইদুল আলম বলেন, যানজটের কারণ টানা তিন দিনের হরতাল এবং পহেলা বৈশাখের ছুটি। ফলে বিভিন্ন রুটের যানবাহন এই রুট দিয়ে চলাচল করছে। তবে যানজট নিরসনে তারা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এ রিপোর্ট পাঠানো পর্যন্ত এ মহাসড়কে যানজট অব্যাহত ছিল।