ধূমপান নিয়ে একটিও পক্ষে বলার মতো কিছু নেই। ধূমপানে টেনশন, উদ্বেগ কমে, কাজে মনোযোগ আসে এমন ভ্রান্ত ধারণারও কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই। কারণ বহু গবেষণায় বিশেষজ্ঞগণ এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তবে ধূমপানের প্রশ্ন আসলেই যে ফুসফুসের ক্যান্সার, হার্টের রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে এসব সিরিয়াস সমস্যার কথা ভাবতে হবে তাই নয়, ধূমপানের ফলে শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে। আর ধূমপায়ীদের বারবার কাশি হওয়া, গলায় ইনফেকশন হওয়া অবহেলা করা যাবে না। কারণ এধরনের উপসর্গ থাকলে সিওপিডি বা ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারী ডিজিজ বা শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক সংক্রমণ হতে পারে। সম্প্রতি দুবাইতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞগণ এ তথ্য দিয়েছেন। দুবাইয়ের রশিদ হাসপাতালের রেসপাইরেটরী মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ড. বাসাম মাহবুব বলেছেন, ধূমপান পরিহার করে এধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। একইভাবে রিয়াদের কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হসপিটাল ও রিসার্চ সেন্টারের বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ জয়তুনি উল্লেখ করেছেন, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ধূমপায়ীদের একটি অতি স্বাভাবিক স্বাস্থ্য সমস্যা। তবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ধূমপানজনিত ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণকে অবহেলা না করার পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে। একইভাবে সিপিডি (সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল) শিশু ও মহিলাদের উপস্থিতিতে ধূমপান না করার আহ্বান জানিয়েছে। কারণ এতে শিশুরাও শ্বাসনালের সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
