পল্টন থানায় দায়ের করা দুইটি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের ছয় নেতা। এর মধ্যে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়েছে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার শুনানি গ্রহণ করেন। আজ মঙ্গলবার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। জামিন আবেদনকারী অপর নেতারা হলেন- বিএনপির আমানউল্লাহ আমান, রুহুল কবির রিজভী, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মো. শাহজাহান ও জাগপা সভাপতি সফিউল আলম প্রধান।
জয়নুল আবদিন ফারুকের পক্ষে শুনানিতে ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন এমপি বলেন, আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশে এবং হয়রানির জন্য এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত এই মামলায় জামিন মঞ্জুর করতে পারেন। তিনি বলেন, প্রধান বিরোধী দলের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়ে বিএনপি নেতাদের আটক করা হয়েছে। এটা নজিরবিহীন। অতীতে কখনো এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। জবাবে এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, যাদের জামিন আবেদন দাখিল করা হয়েছে তারা সকলেই ওই দিনের সহিংস ঘটনার নির্দেশদাতা। তাদের হুকুমেই যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়া হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে বিভিন্ন অফিস।
শুনানিকালে বিএনপি নেতাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী প্রমুখ এবং রাষ্ট্রপক্ষে তিন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এমকে রহমান, অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা ও অ্যাডভোকেট মমতাজউদ্দিন ফকির উপস্থিত ছিলেন।
