বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক কর্মকর্তা সাসপেন্ড

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩১
শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চের ৪ শিক্ষক ও ২ কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। ভিসি ড. মু. আব্দুল জলিল মিয়া তাদের সাসপেন্ড করেন। বরখাস্তকৃতরা হলেন গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক ড. আর এম হাফিজুর রহমান সেলিম, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের সদস্য সচিব ড. তুহিন ওয়াদুদ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আপেল মাহমুদ, প্রভাষক ওমর ফারুক, সহকারী রেজিষ্টার আমিনুর রহমান ও সহকারী পরিচালক মামদুদুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মু. আব্দুল জলিল মিয়া তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের ব্যানারে দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন করে আসছে। অপরদিকে ভিসির পক্ষেও শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা পাল্টা আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দু’গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষসহ একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পাল্টাপাল্টি মামলাও হয়েছে। এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে রাজা রামমোহন ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চ। দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চের মুখপাত্র ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। এদিকে, গতকাল ৮টার দিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালবাগ বাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি বিরোধী মঞ্চের শিক্ষক-কর্মকর্তারা রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষক-কর্মকর্তারা রেললাইনে সমাবেশ করে আগামী শনিবারের মধ্যে সাময়িক বরখাস্তকৃত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের আদেশ প্রত্যাহার করা না হলে রবিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।