‘খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে প্রস্তাবিত নিরাপত্তা খাদ্য আইন ২০১৩-এ স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ডিগ্রিধারীদের অন্তর্ভুক্তকরণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেছেন, শুধু মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে খাদ্যে স্থায়ীভাবে ভেজাল প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এরজন্য প্রয়োজন আইনের যথাযথ প্রয়োগ, জনসচেতনতা এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করা ও তাদের কাজে লাগানো।
শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরশিপ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। সংগঠনের সভাপতি খসরু মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন সিমিন হোসেন রিমি এমপি, শাহীন মনোয়ারা হক এমপি ও অধ্যাপক এম এম আকাশ প্রমুখ।
সিমিন হোসেন রিমি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। খাদ্যে ভেজালের কারণে কিডনি, পাকস্থলিসহ শরীর বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা খুবই লজ্জাজনক যে, এতো বড় দেশে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মাত্র ৫৬৫ জন। এ সংখ্যা আরো বাড়ানো উচিত।
শাহীন মনোয়ারা হক বলেন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে শুধু আইন নয়, এর প্রয়োগ বাড়াতে হবে। এছাড়া মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুলতান আহমেদ সিদ্দিকী। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. আমিনুল হক ভুঁইয়া, হিউম্যান রাইটস এন্ড পিচ ফর বাংলাদেশের সভাপতি এডভোকেট মনজিল মোরশেদ প্রমুখ।
