জাতীয় শিক্ষাক্রমে কৃষিশিক্ষা অবহেলিত

আপডেট : ০৭ মে ২০১৯, ২১:৫৭

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড নতুন কারিকুলাম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। পরিকল্পনা অনুসারে ২০২১ সালে নবম-দশম শ্রেণি ও ২০২২ সালে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নতুন কারিকুলামের বই শিক্ষার্থীরা হাতে পাবে। নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে কৃষিশিক্ষা বর্তমানে ঐচ্ছিক হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পড়তে চায় না। ফলে কৃষিশিক্ষার জ্ঞান অর্জন থেকে শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষি প্রায়োগিক শিক্ষা। কৃষিশিক্ষা পড়ে কৃষির জ্ঞান দিয়ে হাঁস-মুরগির খামার, গবাদিপশুর খামার, মাছ চাষ, শাকসবজি চাষ, ফল উত্পাদন ও ফুল চাষসহ কৃষিজাত বিভিন্ন পণ্য উত্পাদন করে বেকারত্ব দূর করা যায়। এতে দেশে কৃষিপণ্য উত্পাদন বাড়বে, অর্থনীতি চাঙ্গা হবে ও বেকার সমস্যাও সমাধান হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ফোরামে কৃষিশিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রতিবছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার আগে ও পরে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া বাদ দেয়। তাদের কৃষির জ্ঞান থাকলে সহজেই কৃষিপণ্য উত্পাদন করে বেকারত্ব দূর করতে পারত। এসএসসি ও এইচএসসিতে কৃষিশিক্ষা আবশ্যিক বা নৈর্বাচনিক হিসেবে নেওয়ার সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীরা কৃষির জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী হবে। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ফরহাদ আহাম্মেদ

সহকারী অধ্যাপক (কৃষিশিক্ষা),

শহীদ জিয়া মহিলা কলেজ,

ভুঞাপুর, টাঙ্গাইল