সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ৮৮টি গভীর নলকূপে বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ও অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে পানি উঠছে না। ফলে সেচের অভাবে ক্ষেতেই শুকিয়ে যাচ্ছে আড়াই হাজার হেক্টর জমির ইরি-বোরো ধান। এতে হাজার হাজার বোরো চাষির নিঃস্ব হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে গত রবিবার ও শুক্রবার ওই ইউনিয়নের কয়েক হাজার বোরো চাষি সড়ক অবরোধ করে লাঠি মিছিল করেছে। গতকাল শনিবার সরেজমিনে কালিয়া ইউনিয়নের কচুয়া, কালিয়া, বেলতলী, সাড়াসিয়া ও কুতুবপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ ও অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে গভীর নলকূপে পানি না উঠায় সেচের অভাবে বোরো ধানক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। থোরধান মাঠেই মরে যাচ্ছে। বেলতলী গ্রামের চাষি আবদুল মালেক মিয়া বলেন, প্রায় এক মাস যাবত্ বিদ্যুতের অভাবে বোরো ক্ষেতে সেচ দিতে না পারায় থোরধান ক্ষেতেই মরে যাচ্ছে। ঘোনারচালা গ্রামের জুলহাস উদ্দিন, আবুল হাশেম ও আবদুস সাত্তার জানান, দিনে-রাতে চার ঘন্টা বিদ্যুত্ পেলেও ঘন ঘন লোডশেডিং ও লো-ভোল্টেজ থাকায় আমরা ইরি-বোরো ধানক্ষেতে সেচ দিতে পারছি না। লো-ভোল্টেজ বিষয়ে সখীপুর বিদ্যুত্ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১১ হাজার কেভি লাইনগুলো অতি দীর্ঘ ও নিম্নমানের মালামাল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এবং লাইন থেকে গভীর নলকূপগুলো দূরত্ব বেশি হওয়ায় গভীর নলকূপগুলো পর্যাপ্ত ভোল্টেজ পাচ্ছে না। তবে লোডশেডিং যাতে না হয় তা নিশ্চিত করা হবে।
