আমীন আহম্মদ চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৫২
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নিরাপত্তা বিশ্লে¬ষক মেজর জেনারেল (অব.) আমীন আহম্মদ চৌধুরী বীর বিক্রমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল শনিবার দ্বিতীয় নামাজে জানাজার পর বনানীর সামরিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা হয় জোহরের নামাজের পর কেন্দ্রীয় সামরিক মসজিদে এবং দ্বিতীয় নামাজে জানাজা হয় আছরে পর গুলশানের আজাদ মসজিদে। উল্লেখ্য,হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার তার গুলশানের বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে গুলশানের বাসভবনে হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মেজর জেনারেল (অব.) আমীন আহম্মদ চৌধুরী বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমীন আহম্মদ চৌধুরীরমৃত্যুতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এডভোকেট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এডভোকেট এক শোক বার্তায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দেশের জন্য তাঁর অসামান্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বলেন, তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন দেশপ্রেমিক ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্বকে হারালো। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোক বার্তায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দেশের জন্য তার অসামান্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তার মৃত্যুতে দেশ একজন দেশপ্রেমিক ও নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্বকে হারালো। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। জাতীয় পার্টি-জেপি’র চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী শেখ শহীদুল মেজর জেনারেল (অব.) আমিন আহম্মদ চৌধুরী বীর বিক্রমের আকস্মিক ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে জেপি নেতৃদ্বয় বলেন, মরহুম আমিন আহম্মদ চৌধুরী ছিলেন খেতাবপ্রাপ্ত একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং অনন্য সাধারণ সামরিক কর্মকর্তা। দেশের ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব এবং ১৯৮৫ সালে অনুষ্ঠিত ২য় সাব-গেমসে তিনি ক্রীড়াক্ষেত্রে সাংগঠনিক প্রতিভার সুস্পষ্ট স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার মৃত্যুতে দেশ একজন সত্ ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্বকে হারালো। বিবৃতিতে জেপি নেতৃদ্বয় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। গণফোরাম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জয়বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) পৃথক পৃথক শোকবার্তায় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।