আপনি কি মেজাজ হারিয়ে ফেলেন?

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৩, ১৬:৫১
ব্যক্তিগত জীবনে তো বটেই কর্মক্ষেত্রেও রাগ নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। নইলে সহকর্মীদের কাছে ‘খিটখিটে’ হিসেবে সুনাম ছড়িয়ে তো পড়বেই সেইসঙ্গে একসময় আপনার সাধের চাকরিটির স্থায়িত্বও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তাই বলছি, কোনো কারণে রাগ হতেই পারে তবে সেটা যেন বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না গড়ায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। চলুন নিচের প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক কর্মক্ষেত্রে আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কতটুকু? ১. সহকর্মী কোনো কারণে আপনার বিরুদ্ধাচারণ করলে আপনি— ক. তাত্ক্ষণিক রেগে যান। খ. মাঝে মাঝে রেগে যান। গ. মোটেও রাগ দেখান না । ২. রেগে গেলে চেঁচিয়ে অন্য সহকর্মীদেরও তা বুঝিয়ে দেন? ক. হ্যাঁ। খ. প্রায়ই। গ. কখনোই না। ৩. কারও উপর রেগে গেলে তার সঙ্গে আপনি— ক. আগের মতোই কথা বলেন। খ. কথা বলা বন্ধ করে দেন। গ. আগের মতো স্বাভাবিক হতে পারেন না। ৪. আপনার বস আপনার সমালোচনা করলে আপনি— ক. মন খারাপ করেন। খ. সমালোচনার কারণ খোঁজেন। গ. কিছুই মনে না করে উড়িয়ে দেন। ৫. অদক্ষ সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে গেলে আপনি— ক. অবস্থা সামলে নেন। খ. ঘটনাটি আপনার মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলে। গ. বিষয়টিকে পাত্তা দেন না। ৭. পূর্বের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মনে পড়লে— ক. একই ধরনের রাগ অনুভূত হয়। খ. আগের মতো ততটা অনুভূত হয় না। গ. একেবারেই অনুভূত হয় না। ৮. সহকর্মীরা কোনো একটা বিষয়ে জানার জন্য চাপাচাপি করলে আপনি— ক. রেগে যান কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই ভুলে যান। খ. হাসিমুখে মেনে নেন। গ. এড়িয়ে চলেন। ৯. আপনাকে নিয়ে কেউ ঠাট্টা করলে— ক. মাথা গরম হয়ে যায়। খ. পাত্তা দেন না। গ. আপনি মজা করেন। ১০. অফিসের কাজের চাপ বা অন্য কোনো কারণে মেজাজ খারাপ হলে আপনি— ক. অকারণে খারাপ ব্যবহার করেন। খ. কাজে মন বসাতে পারেন না। গ. কাউকে বুঝতে না দিয়ে সামলে নেন। ১১. আপনি কি অনুভূতি নিজের মধ্যে চেপে রাখেন? ক. হ্যাঁ। খ. কখনও না। গ. মাঝে মাঝে। মিলিয়ে নিন আপনার স্কোর ০-১৫ :আপনার মধ্যে ক্রোধ অবদমিত অবস্থায় আছে। যদিও আপনি ক্রোধ লুকিয়ে রাখতে চান। রাগের মাথায় কিছু করে পরে যেন পস্তাতে না হয় সে বিষয়ে আপনি সতর্ক এটা মানতেই হবে। অবশ্যই এটি আপনার চরিত্রের ইতিবাচক একটি দিক। আপনার মনের কথা খুলে বলা উচিত। কারণ চেপে রাখা ক্রোধ কখনওই সুফল বয়ে আনে না। তবে এর বহিঃপ্রকাশ যেন কারও জন্য ক্ষতিকর না হয় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ১৬-৩৫ :রাগ আপনার জন্য কোনো সমস্যা নয়। কর্মক্ষেত্রে রাগ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আপনি বেশ সচেতন। আপনি রেগে গেলেও সেটি যথার্থ ও কার্যকরভাবে প্রকাশ করেন। এটা অবশ্যই ভালো লক্ষণ। বুঝা যাচ্ছে আপনি সবক্ষেত্রেই মধ্যম পন্থা অবলম্বন করেন। ৩৬-৫০ :কোনো কারণ ছাড়াই আপনি রেগে যান। তবে কর্মক্ষেত্রে রেগে যাওয়া কোনোক্রমেই উচিত নয়। সহকর্মীদের আচরণ যদি একেবারেই অসহনীয় মনে হয় সেক্ষেত্রে প্রথমেই তাকে বুঝাতে চেষ্টা করুন। কাজ না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। রাগ দেখালে নিজের কাজের ক্ষতি হবে। পাশাপাশি অফিসের অন্যদের সঙ্গেও সম্পর্কের অবনতি ঘটবে। সুতরাং প্রথমেই সাবধান হওয়া বুদ্ধিমানের লক্ষণ। আপনার স্কোর ক খ গ ১. ৫ ৩ ১ ২. ৫ ৩ ১ ৩. ১ ৩ ৫ ৪. ১ ৫ ৩ ৫. ৫ ৩ ১ ৬. ১ ৫ ৩ ৭. ৫ ৩ ১ ৮. ১ ৩ ৫ ৯. ১ ৫ ৩ ১০. ৫ ১ ৩ ১১. ৩ ১ ৫