তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৩, ১৬:৫৪
প ড়া র ব ই অনন্য জীবনানন্দ লেখক :ক্লিন্টন বি সিলি অনুবাদক :ফারুক মঈনুদ্দীন বইয়ের কথা বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র-প্রভাববলয়ের বাইরের অন্যতম প্রধান পুরুষ নিভৃতচারী কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার দ্যুতিময় ভুবনের সঙ্গে কাব্যানুরাগী মহলের নিবিড় পরিচয় ঘটে তার দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর মাত্র অল্প কয়েক বছর আগে। ‘নির্জনতম’ এই কবির যে বিপুল অপ্রকাশিত রচনা তার মৃত্যু-পরবর্তী সময়ে আবিষ্কৃত হয়। কেন পড়বেন বাংলার অনন্যসাধারণ এই কবি তাকে এতটাই অনুপ্রাণিত করেছিলেন যে তিনি তার গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জীবনানন্দকে। আর তার যথার্থই প্রতিফলন রয়েছে বইয়ে। দে খা র ছ বি কন এয়ার পরিচালক :সাইমন ওয়েস্ট অভিনয় :নিকোলাস কেজ, জন কুসাক ছবির কথা যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে এসেছে আর্মি রেঞ্জার ক্যামেরুন পো। একই সাথে আনন্দ যে সে বাবা হতে চলেছে। ক্লাবে কিছু লোক তার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতে এলে স্ত্রীর অনুরোধে সে নিরস্ত হয়। কিন্তু সেদিন রাতেই পার্কিংয়ে তারা আবার ফিরে এলে পো প্রতিবাদ করে। পো’র আঘাতে মারা যায় একজন আর এ জন্য তাকে যেতে হয় জেলে। আট বছর পর তার মুক্তির সময় আসে। কেন দেখবেন পরিবারের বিপরীতে একজন রেঞ্জারের শপথ রক্ষার যে চিত্র দেখা সেটা অসাধারণ। ফ্যা শ ন ব্রেসলেট সাজসজ্জায় অন্যতম পছন্দের গহনা হচ্ছে ব্রেসলেট। পাশ্চাত্য এই ফ্যাশন্যাবল গহনাটি এখন আমাদের দেশের তরুণ-তরুণীদের মধ্যেও বেশ জনপ্রিয়। এই ব্রেসলেটগুলো স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি। কোনোটি গোল্ড প্লেট করা, আবার কিছু প্লেটিং ছাড়াই। বেশ মজবুত হওয়ায় ছেলেদের প্রথম পছন্দ এগুলো। মেয়েদের পছন্দের তালিকায় আছে পাথরের তৈরি এই ব্রেসলেটগুলো। বাহারি রঙের এই পাথরগুলোর মধ্যে আছে রোজ কোয়ার্জ, আকিক, পান্না, এমিথিসসহ আরও নানা কিছু পাওয়া যায় শ্বেত ও লোহিত কোরালের তৈরি ব্রেসলেটও। সিরামিকের তৈরি ব্রেসলেটও দেখতে বেশ আকর্ষণীয়, তবে ভঙ্গুর। নজর কাড়বে গোল্ড প্লেট করা রুপা কিংবা ইমিটেশনের এই ব্রেসলেটগুলোও। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে অর্ডার দিয়ে, রং-বেরঙের এসব ব্রেসলেট সহজেই তৈরি করিয়ে নেওয়া যায় বলে তরুণদের মধ্যে এগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ত থ্য ক ণি কা ক্যামেরা আবিষ্কার ১৮১৪ সাল ছিল ক্যামেরার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। প্রথমবারের মতো আলোকচিত্র ধারণের কাজটি করেন জোসেপ নাইসপোর নিপস। ১৮৪০ সালে উইলিয়াম টালবোট স্থায়ী চিত্র ধারণের জন্য তিনি নেগেটিভ ইমেজ থেকে চিত্র পজিটিভ ইমেজে পরিবর্তন করেন। এরপরই বিশ্বব্যাপী ক্যামেরার প্রযুক্তিগত উন্নয়ন দ্রুতবেগে সম্প্রসারিত হতে থাকে। ১৮৮৮ সালটি ছিল ক্যামেরার প্রযুক্তিগত উন্নয়নের আরেকটি টার্নিং পয়েন্ট। ১৮৮৫ সালে জর্জ ইস্টম্যান তার প্রথম ক্যামেরা ‘কোডাক’-এর জন্য প্রথম পেপার ফিল্ম উত্পাদন করেন। বাণিজ্যিকভাবে এটাই ছিল বিক্রির জন্য প্রথম উত্পাদিত ক্যামেরা। দীর্ঘ ৭৫ বছর অ্যানালগ ক্যামেরা রাজত্ব করলেও ১৯৭৫ সালে কোডাকের স্টিভেন স্যাসোন ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে আসেন। তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে লগ ইন করুন www.faceb ook.com/torun.kontho