সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও হুইপের বিরোধ

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩৭
পটুয়াখালী-১ ও ২ সংসদীয় আসনের সীমানা নিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাহজাহান মিয়া ও জাতীয় সংসদের হুইপ আসম ফিরোজের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তাবিত সীমানা নিয়ে পক্ষে বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী আর বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন হুইপ। শুনানিতে উভয়ে তাদের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন। এদিকে, কমিশনের প্রস্তাবিত পিরোজপুরের ১, ২ ও ৩ সংসদীয় আসন বহাল রাখার পক্ষে একাট্টা হয়ে শুনানিতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ ভোটাররা। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে পিরোজপুর-১, ২ ও ৩ সংসদীয় আসনের পক্ষে প্রায় ৪০ জন জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে স্থানীয় ভোটাররা অংশ নেন। আইন মেনে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণ করায় শুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। শুনানিতে অংশ নেন-স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও ভোটাররা। এরপর ঝালকাঠি-১ ও ২ আসনের উপর শুনানি হয়। তবে এই দু’টি আসনের উপর শুনানি শুরু হওয়ার আগেই জনরোষে পড়েন একজন আপত্তিকারী। তিনি হলেন-ঝালকাঠি পৌরসভার সাবেক কমিশনার সেলিম। পরে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এসময়ে ইসির প্রস্তাবিত ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) ও ২ (ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি) সীমানা বহালের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন। পটুয়াখালী-১ সদরের ২টি ইউনিয়নকে (কমলাপুর ও লোহানিয়া) ২০০৮ এর সীমানা নির্ধারণের সময় পটুয়াখালী-২ এর সাথে দেয়া হয়। আর ২০১৩ সংশোধনীতে তা আবার ফিরিয়ে নেয়া হয়।