রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিক কাজলের লাশ গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় বরগুনা সদরের ডালভাঙ্গা গ্রামে পৌঁছলে এক হূদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এ সময় তার একমাত্র পুত্র অর্ণব বার বার মূর্ছা যেতে থাকে। কাজলের স্বামী এনামুল কবীর রাজ্জাক জানান, রবিবার ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে কাজলের লাশ সনাক্ত করা হয়। গতকাল পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
এদিকে সাভার ট্র্যাজেডিতে নিহত বরগুনার বেতাগী উপজেলার বকুলতলা গ্রামের লিপি আক্তারের লাশ শনিবার সন্ধ্যায় পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। লিপি তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি । মাস শেষে নিজের খরচ রেখে বেতনের টাকা তার বৃদ্ধ পিতা মালেক গাজী ও মা আমেনা বেগমের কাছে পাঠিয়ে দিত। মেয়েকে হারিয়ে তারা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
এ নিয়ে বরগুনায় ১১ শ্রমিকের লাশ দাফন করা হল। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে এখনও ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের খোঁজ নিতে ইতিমধ্যে স্বজনরা ঢাকায় গেছেন। গতকাল সকালে সাভার থেকে আমতলীর বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার জানান, বরগুনার আলী হোসেন নামে এক ব্যক্তির মেয়ে মরিমকে স্মৃতিভ্রষ্ট অবস্থায় এনাম মেডিকেলে পাওয়ার পর গতকাল তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আমতলীর বকুল নামে এক কর্মীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
