ঘু রে বে ড়া ই

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ১৯:০৯

 

ভ্রমণ-পিপাসু শহুরে মানুষের কাছে ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানগুলো সবসময়ই থাকে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। আর তা যদি হয় ঢাকার পাশ ঘেঁষে, তাহলেই তা হয়ে ওঠে শহুরে মানুষের স্বল্পদৈর্ঘ্য ভ্রমণের প্রাণকেন্দ্র।

ঢাকার পাশ ঘেঁষে তেমনি একটি ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান বালিয়াটি জমিদার বাড়ি। জমিদার বাড়িটি মানিকগঞ্জ থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার এবং ঢাকা থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া গ্রামে অবস্থিত। বাড়িটিতে রয়েছে সর্বমোট সাতটি স্থাপনা যার কেন্দ্রীয় ব্লকটি বর্তমানে জাদুঘর। পুরো প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ দ্বারা সংরক্ষিত ও পরিচালিত। উঁচু প্রাচীরে ঘেরা জমিদার বাড়িটিতে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, যা এখনো সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। জমিদার বাড়িটিতে প্রবেশের পথে প্রথমেই নজর কাড়ে প্রাসাদের সিংহ দরজা। প্রবেশদ্বার পরেই রয়েছে প্রশস্থ আঙ্গিনা ও তিনটি বহুতল ভবন। সাতটি স্থাপনার সমন্বয়ে গঠিত জমিদার বাড়িটিতে রয়েছে প্রায় ২০০টি কক্ষ, যার প্রত্যেকটিতেই রয়েছে সুনিপুণ কারুকাজের ছোঁয়া। মূল জমিদার বাড়িটি প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর অবস্থিত। স্থাপনাগুলোর পাশাপাশি অন্দরমহলে রয়েছে একটি সুবিশাল ঘাট-বাঁধানো পুকুর, যা জমিদার বাড়িটিকে একটি অসাধারণ পরিপূর্ণতা দান করে। অন্দরমহলের পুকুর ছাড়াও জমিদার বাড়িটির সামনে রয়েছে একটি সুবিশাল দিঘি, যা জমিদার বাড়িটির সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।

কীভাবে যাবেন :ঢাকার গাবতলী থেকে আরিচা, পাটুরিয়া বা মানিকগঞ্জগামী বাসে চড়ে মানিকগঞ্জের ৮ কিলোমিটার আগেই সাটুরিয়া বাসস্টপে নেমে যেতে হবে। ভাড়া প্রায় ৭০ টাকা জনপ্রতি। আর মানিকগঞ্জ থেকে শুভযাত্রা, পল্লীসেবা, শুকতারা ইত্যাদি বাস যোগে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে জনপ্রতি প্রায় ২৫ টাকা। সাটুরিয়া বাসস্টপ থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এই জমিদার বাড়ি অবস্থিত। সাটুরিয়া থেকে পাকুটিয়াগামী রাস্থায় সাটুরিয়ার জিরোপয়েন্টে নেমে যেতে হবে। জিরোপয়েন্ট থেকে মাত্র ১ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে জমিদার বাড়িটির অবস্থান।