রাজবাড়ীর পাংশায় ভেজাল গুড় তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ধ্বংস করেছে আড়াইশ মণ ভেজাল গুড়। এ সময় কারখানা মালিকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পাংশা উপজেলার আজিজ সরদার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত নামবিহীন ওই কারখানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে ২৫০ মণ ভেজাল গুড় এবং গুড় তৈরির কাজে ব্যবহার করা বিভিন্ন প্রকার ক্ষতিকর রাসায়নিক রং, চক পাউডার, ফিটকিরি ও চিনি জব্দ করে। পরে জব্দ করা ভেজাল গুড় ধ্বংস করে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয় এবং কারখানা মালিক তাপস কুমার পালের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আহসান উল্লাহ, জেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর সূর্য কুমার প্রামাণিক, পাংশা উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মো. তৈয়বুর রহমান প্রমুখ।
চট্টগ্রামে তিন প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা
চট্টগ্রাম অফিস জানায়, বিএসটিআইর অনুমোদন ছাড়া ভেজাল খাদ্য উত্পাদনের দায়ে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে এবং নকল কেমিক্যাল বাজারজাতকরণের দায়ে একটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র্যাব-৭ পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ভেজাল ৩০ টন জিরা, ৬৫ টন সেমাই, ১৫ টন লাচ্ছা সেমাই, ৫ টন এগ নুডলস, এবং ৭ হাজার লিটার নকল কেমিক্যাল ও খাদ্য তৈরির মেশিন জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে জব্দ করা আলামত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর বাকলিয়া থানার চাক্তাই এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম মোল্লা অ্যান্ড কোং, হোসেন ফুড এবং এসডি প্রোডাক্টস। পরে কারখানাগুলো সিলগালা করা হয়। র্যাব- ৭ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
