ছেলেকে ডেকে বাবা জানতে চাইলেন, বলতো আট নং কত?
ছেলে উত্তর দিল-‘চুয়াত্তর’।
এই শুনে বাবা খুশি হয়ে ছেলের হাতে দুই টাকা ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘বেশ বেশ এই নে টাকা। এটা দিয়ে দোকান থেকে চকোলেট কিনে খা।’ এদিকে ভদ্রলোকের এই কাণ্ড দেখে বাসায় আসা এক অতিথি জানতে চাইলেন, ‘আশ্চর্য লোকতো আপনি। আট নং বাহাত্তরের জায়গায় ও চুয়াত্তর বলল আর আপনিও ওর ভুল উত্তরে খুশি হয়ে ওকে টাকা দিলেন!’
‘না মানে গত এক সপ্তাহ ধরে ও আট নং আশি বলে আসছিল। এখন যতটা ইমপ্রুভ করেছে তা যদি উত্সাহিত না করি তাহলে তো ও আর চুয়াত্তর থেকে বাহাত্তরে নামবে না!’—জানালেন ছেলেটির বাবা।
প্রথম বন্ধু :কি রে এত গম্ভীর হয়ে কী ভাবছিস?
দ্বিতীয় বন্ধু :না সবাই তো বলে যে পড়ালেখার কাজটা যদি প্রেমের মতো অতে মধুর হতো তাহলে কী ভালোই না হতো।
প্রথম বন্ধু :হুম! ঠিকই তো বলে। তাহলে আমাদের যেমন প্রেম করতে ভালো লাগে সে রকম পড়তেও খুব ভালো লাগতো।
দ্বিতীয় বন্ধু :কিন্তু আমার কী মনে হয় জানিস! আমার মনে হয় এর উল্টোটা হলেই বরং ভালো হতো। তার মানে প্রেমটা যদি পড়াশোনার মতো হতো তাহলেই ভালো ছিল।
প্রথম বন্ধু :কেন, কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :না মানে প্রেমটা যদি পড়াশোনার মতো হতো তাহলে মা নিশ্চয়ই রোজ আমাকে প্রেম করার জন্য তাগাদা দিত আর বলতো, ‘কি রে এখনো প্রেম করা হয়নি। এক্ষুনি প্রেম কর, আগামী দু’ঘণ্টার মধ্যে যেন আরও একটা প্রেম শেষ হয়!’
বাবা :আচ্ছা বলতো দিনের বেলা এতো আলো আর রাতের বেলা এতো অন্ধকার থাকে কেন?
ছেলে :আশ্চর্য। এটা কোনো প্রশ্ন হলো নাকি? এই প্রশ্নের উত্তর তো গাধা-গরুও দিতে পারে।
বাবা :আমিও তো সেজন্য প্রশ্নটা তোমাকেই করলাম!
