ল র না ও. ই য় ং
আমেরিকার ছোট্ট একটি শহর, বাল্টিমোর। বলা হয় এখানকার একটি হাসপাতালের সেবা বিশ্বের অন্যান্য শহরের হাসপাতালগুলোর থেকেও বেশি মানসম্পন্ন। হাসপাতালটির নাম ‘জন হপকিন্স হসপিটাল’। এখানে আমেরিকার সবচেয়ে ভালো ডাক্তারদের সমাবেশ। পরিবেশও বেশ মনোরম। রোগীদের রোগ ৫০% সেখানে গেলেই ভালো হয়ে যায়। এমনটাই মনে করেন এই হাসপাতালের কর্তব্যরত এক ডাক্তার। তরুণ এই ডাক্তারটির নাম লরনা। গাইনোকোলজিস্ট এই ডাক্তার অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে সেখানে কাজ করছেন। ২০১০ সালে ডাক্তারদের র্যাংকিংয়ে তিনি ছিলেন সেরাদের মধ্যে। বেশ কয়েকবার মিডিয়া নিউজও হয়েছিলেন।
=
অ্যা লে ক্সা
লার্নভেস্ট ফাউন্ডেশনের সিইও। এই অরগানাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য হলো সেসব মহিলাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া যারা আর্থিকভাবে অক্ষম, নিজেদের চিকিত্সা করানোর মতো অর্থ জোগাতে পারে না। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা অর্থের কারণে তাদের চিকিত্সা করাতে পারে না। সেই সাথে মরে যায় তাদের স্বপ্নগুলোও। আর তাই এক মহত্ উদ্দেশ্য নিয়ে সাহসের সাথে সামনে এগিয়ে এসেছেন অ্যালেক্সা নামের এই তরুণী। তিনি মেডিকেল স্টাডিজে তার ইন্টার্নশিপ কমপ্লিট করেছেন কিছুদিন হলো। এরপর তিনি কোনো হাসপাতালের সাথে যুক্ত না হয়ে নিজ উদ্যোগে শুরু করেন সমাজসেবামূলক কাজ। পাশাপাশি তিনি একজন গাইনোকোলজিস্ট হিসেবেও যথেষ্ট সুনাম কুড়িয়েছেন।
=
ল উ রে ন বু শ
তিনি ও তার বন্ধু এলেন গুস্তাভসনের মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ফিড’ নামের কোম্পানি। সেল অর্থাত্, জিন বা কোষ নিয়ে কাজ করে তাদের এই প্রতিষ্ঠান। তাদের এই কোম্পানির অর্থ সংস্থান হয় খুব মজার একটি মাধ্যমে। তাদের কোম্পানির সাথে আশপাশের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের চুক্তি রয়েছে। সেখানে তারা বিভিন্ন সাইজের ব্যাগ সরবরাহ করে। প্রতি ব্যাগের বিক্রি থেকে যে অর্থ পাওয়া যায় তা তাদের সংস্থার কাজে ব্যয় করা হয়। শুধু তাই নয়, তারা ‘ইউনাইটেড নেশনস ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম’-এ অংশগ্রহণ করে। লউরেন বুশের জিন নিয়ে গবেষণার সূত্রপাত ঘটে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়ে। এই প্রতিষ্ঠানে লউরেন একজন গাইনোকোলজিস্ট হিসেবেও কাজ করছেন।
=
ববি রে
‘দ্য কুলিনিস্টাস’ নামের একটি হাসপাতাল পরিচালনা করেন ববি রে নামের তরুণী। তিনি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেডিক্যাল ডিগ্রি নেন। এরপর তার কিছু বন্ধুদের সাথে মিলে দাঁড় করান এই ফাউন্ডেশন। এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য গরিবদের চিকিত্সা করা, তবে বিনামূল্যে নয়। যে যেমন খরচ বহন করতে পারবে তার কাছ থেকে সেই পরিমান অর্থই নেন তার প্রতিষ্ঠানটি। তবে তা নাম মাত্রই বলা চলে। এর পাশাপাশি ব্যাক্তিগত জীবনে তার একটি রেস্টুরেন্ট আছে। সেখান থেকে পাওয়া অর্থ তিনি এই প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নের পেছনে ব্যয় করেন।
=
মা র্ক লু ফা র
স্পোরাউটার হাসপাতালের এক তরুণ গাইনোকোলজিস্ট মার্ক। মাত্র ৩১ বছর বয়সেই তিনি নিজের ঝুলিতে বেশ কয়েকটি সফলতার পালক নিয়ে নিয়েছেন। তিনি আর্টিফিশিয়াল বায়োনিক আর্মস নিয়ে কাজ করতে চাইলেও, ভাগ্যের ফেরে গাইনোকোলজিস্টের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। অবশ্য এই কাজে তিনি বেশ দক্ষতার পরিচয়ও দিয়েছেন। বেশ কয়েকবার টাইমসের পাতায় তার নাম এসেছিল। তিনি একটি ওয়েবসাইটও পরিচালনা করেন যেখানে গাইনোকোলজির চিকিত্সা নিয়ে বেশ কিছু তথ্য রয়েছে যা তার রিসার্চ বা গবেষণার ফল। তিনি অনলাইনে ইমেইলের মাধ্যমে এই কাজটির তত্ত্বাবধান করেন। মার্কের জন্ম আমেরিকার নর্থ ডাকোটা শহরে।
