প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বেঁধে দেয়া গ্রেডিং পদ্ধতিতে ক্রিকেটাররা শেষ পর্যন্ত রাজী হবেন কি না, এ নিয়ে এখনও সংশয় আছে। এ ব্যাপারে আজই অন্তত ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসেসিয়েশনের (কোয়াব) মতামতটা বোঝা যাবে। কারণ, আজ কোয়াব নিজেদের সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে এই বিষয়টা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবে।
গ্রেডিং অনুযায়ী পারিশ্রমিকের অংক সন্তুষ্ট কিনা—আলোচনার মূল বিষয়বস্তুতে থাকছে এটি। গতকাল সোমবার কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল এ খবর নিশ্চিত করে বললেন, ‘আমাদের কাজ খেলোয়াড়দের নিয়ে। আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সিনিয়র খেলোয়াড়দের সাথে আলোচনায় বসতে চাই। ৫০-৬০জন সিনিয়র খেলোয়াড়দের আমরা ডেকেছি। তাদের সাথে কথা বলার পরই আমাদের সিদ্ধান্ত বিসিবিকে জানাব।’
বিসিবির প্রস্তাবিত গ্রেডিং অনুযায়ী একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাবে ২৫ লাখ টাকা এবং সর্বনিম্ন পারিশ্রমিক পাবে আড়াই লাখ টাকা। কিন্তু কোয়াবের দাবি সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা এবং সর্বনিম্ন পারিশ্রমিক হতে হবে ১০ লাখ টাকা। গ্রেডিং পদ্ধতি পরিবর্তন না করলে প্রিমিয়ারে অংশ নেয়া ১৮১ জন খেলোয়াড় খেলবে না বলেও কোয়াব হুমকি দিয়েছিল।
এ ব্যাপারে ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্টোপলিশের (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমরা প্রিমিয়ার লিগের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে পারবো না। কোয়াব কি সিদ্ধান্ত নেয় তার উপর নির্ভর করবে আমাদের সিদ্ধান্ত।’
জানা গেছে, ২০ জুন প্রিমিয়ারের নিলাম এবং ১ জুলাই লিগ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি সিসিডিএম চেয়ারম্যান।
