আমস্টারডামে একটি কোম্পানি বিশ্বের প্রথম ভাসমান দুগ্ধ খামার চালু করতে যাচ্ছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও বহুমুখী সুবিধাসম্পন্ন ভাসমান এ খামার দৈনিক গড়ে ২১১ গ্যালন দুধ উত্পাদন করতে পারবে। এ খামারের গরুর সংখ্যা ৪০টি। ছাদকৃষি, গুদাম ঘরসহ অন্যান্য জায়গায় শহুরে কৃষির ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পানিতে ভাসমান খামারের ধারণা। খামারগুলো ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধী ও আবহাওয়ার সঙ্গে তাল রেখে মানিয়ে চলতে পারবে। এছাড়া জোয়ার-ভাটায় এসব খামার ওঠানামা করতে পারবে এবং এতে খাদ্য উত্পাদনে কোনো ব্যাঘাত হবে না। যেকোনো পরিস্থিতিতে শহরে খাদ্য উত্পাদনের সুযোগও থাকছে। গবাদি পশুর খাদ্য ত্রিপাতাবিশিষ্ট ছোট এক ধরনের গাছ ও ঘাস চাষের জন্য ব্যবহার করা হবে
খামারের তৃতীয় তলা।
—নাঈমা সুলতানা
