মেয়াদ শেষেও দায়িত্বে

দুদক চেয়ারম্যানকে লিগ্যাল নোটিস

আপডেট : ০৫ জুন ২০১৩, ২২:৩৮
চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরেও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান কোন কর্তৃত্ববলে পদে অধিষ্ঠিত আছেন জানাতে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়েছে। জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মির্জা আল মাহমুদ গতকাল বুধবার এই নোটিশ দেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দাবি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস-ব্রিফিংয়ে অ্যাডভোকেট মির্জা আল মাহমুদ নোটিশের বিষয়বস্তু উল্লেখ করে বলেন, ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গোলাম রহমানকে দুদকের কমিশনার পদে নিয়োগ দেন। ওই বছরের ২ মে থেকে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। দুদক আইনের ৬(৩) ধারায় বলা হয়েছে, কমিশনারদের নিয়োগের তারিখ হতে চার বছর মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। সেই হিসেবে গোলাম রহমানের মেয়াদ গত পহেলা মে চার বছর পূর্ণ হয়েছে। এই চার বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও তিনি দুদক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কোন আইনগত কর্তৃত্ববলে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন নোটিশে তাই জানতে চেয়েছি। তবে ওই নোটিশে আরো বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদের দিন গণনা কিভাবে হবে তা জানতে ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট দুদকের সচিব মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে আইনগত মতামত চায়। পরবর্তীতে ওই বছরের ২১ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ২০০৯ সালের ২৪ জুন তার দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে সময়কাল গণনা করা হবে। নোটিশে বলা হয়েছে, দুদক আইনেই বলা হয়েছে যে নিয়োগ দেয়ার দিন থেকে এ মেয়াদকাল শুরু হবে। ফলে সংসদে প্রণীত আইনকে কোন প্রশাসনিক আদেশ দ্বারা অতিক্রান্ত (সুপারসিড) করা যায় না। সুতরাং এক মে থেকে অদ্যাবধি চেয়ারম্যানের পদে কার্যক্রম বেআইনী বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট জেআর খান রবিন, অ্যাডভোকেট গোলাম নবী ও অ্যাডভোকেট মো. শহীদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।