তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www . facebook . com / torun . kontho
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
দে খা র ছ বি
আয়রন ম্যান থ্রি
পরিচালক :শেন ব্ল্যাক।
ছবির কথা :সাড়া জাগানো ‘আয়রন ম্যান’ সিরিজের তৃতীয় ছবি ‘আয়রন ম্যান থ্রি’। দুর্দান্ত অ্যাকশন আর চোখ ধাঁধানো স্পেশাল ইফেক্টের এ ছবিটি এখন হলিউড টপচার্টের শীর্ষে অবস্থান করছে। ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি এ যাবত্ আয় করেছে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। ছবিটির একটি বড় অংশের চিত্রায়ণ হয়েছে চীনে। বাকি অংশের দৃশ্যধারণ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ও ফ্লোরিডায়। সিরিজের আগের দুটি ছবি জন ফ্যাব্রিউ পরিচালনা করলেও, এবারের ছবিটি নির্মাণ করেছেন শেন ব্ল্যাক।
কেন দেখবেন :এবারের গল্পে দেখা যাবে, লৌহমানব টনি স্টার্ক বর্বরোচিত শত্রুর আক্রমণে নিজ সাম্রাজ্য হারাতে বসেছেন। এরপর তিনি বের হন প্রতিশোধ নিতে। শুরু হয় ধুন্ধুমার অ্যাকশন। ১৩০ মিনিট ব্যাপ্তির ছবিটির পুরোটাজুড়েই থাকছে টানটান উত্তেজনা।
প ড়া র ব ই
প্রথম আলো
লেখক :সুনীল গঙ্গোপাধায়
বইয়ের কথা :সুদীর্ঘ এই উপন্যাসটির শুরু হয় ত্রিপুরার রাজপরিবারের কাহিনী দিয়ে। তারপরে তা ক্রমশ জমাট বাঁধে কলকাতায় ঠাকুর পরিবারে এবং তত্কালীন অন্যান্য বিশিষ্ট সব মানুষদের নিয়ে । এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো সবই প্রায় বাস্তব ঐতিহাসিক চরিত্র। যেমন রবীন্দ্রনাথ, নরেন্দ্রনাথ, রামকৃষ্ণ পরমহংস, নটী বিনোদিনী, গিরিশচন্দ্র প্রভৃতি। এই বইটির ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশিত হয় অক্সফোর্ড থেকে।
কেন পড়বেন :দীর্ঘ এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে ঊনবিংশ শতকের শেষ অর্ধের পটভূমিকায়। সুনীলের আরেক বিখ্যাত উপন্যাস ‘সেই সময়’তে যে সময়ের কথা আছে ঠিক তার পরের সময় নিয়েই এই উপন্যাস। বিশাল এই উপন্যাসটির মূল বক্তব্য ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে বাঙালির জাতি হিসেবে আত্মসচেতনতা গড়ে ওঠা।
গু ণী জ ন
তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় বাংলা ভাষার একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও গল্পলেখক ১৮৯৮ সালের ২৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা-মায়ের নাম হরিদাস বন্দোপাধ্যায় ও প্রভাবতী দেবী। লাভপুরের যাদবলাল হাই স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করে কলকাতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন। তারাশঙ্কর কংগ্রেসের কর্মী হয়ে সমাজসেবামূলক কাজ করেন এবং এর জন্য তিনি কিছুদিন জেল খাটেন। একবার তিনি ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। তার লেখায় বিশেষ ভাবে পাওয়া যায় বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের সাঁওতাল, বাগদি, বোষ্টম, বাউরি, ডোম, গ্রাম্য কবিয়াল সম্প্রদায়ের কথা। ছোট বা বড় যে ধরনের মানুষই হোক না কেন, তারাশঙ্কর তার সব লেখায় মানুষের মহত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন, যা তার লেখার সবচেয়ে বড় গুণ।
ত থ্য ক ণি কা
প্রথম বাংলা পত্রিকা
‘সমাচার দর্পণ’ হলো প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। পত্রিকাটি ছিল সাপ্তাহিক। ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মে তারিখে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন জন মার্শম্যান। কিন্তু তিনি ছিলেন নামেমাত্র সম্পাদক। বাঙালি পণ্ডিতরাই আসলে ‘সমাচার দর্পণ’ সম্পাদনা করতেন। পরবর্তীকালে এই পত্রিকাটি সপ্তাহে দুবার করে প্রকাশিত হতে থাকে। জয়গোপাল তর্কালঙ্কার বাংলা সংবাদ রচনা ও সংকলনে সম্পাদকের সহায়ক ছিলেন বলে তা উন্নতমানের সংবাদপত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সমর্থ হয়েছিল। সংবাদ, ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বিষয়াদির বিবরণ এই পত্রিকায় স্থান পেত। সে আমলে প্রগতিশীল পত্রিকা হিসেবে এর বিশেষ গুরুত্ব ছিল। ১৮৪১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত পত্রিকাটি অস্তিত্ব রক্ষা করেছিল। তবে পরেও কয়েকবার এই পত্রিকা পুনঃপ্রকাশিত হয়েছিল।
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
