উপজেলার রামদেবপুর গ্রামে নারী ও শিশুসহ ১২ জন অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরুর মাংস নাড়াচাড়া করায় তারা অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানান চিকিত্সকরা। জানা গেছে, রামদেবপুর গ্রামের মোক্তারুল ইসলামের একটি গরু দশ দিন আগে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে, অসতর্কতাবশত গরুটি জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়। এরপর থেকে কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঘা দেখা দেয়। এদের মধ্যে শিশু আব্দুল্লাহ, আওলিয়া খাতুন, মহাবুল ইসলাম, রশিদা খাতুন, মুক্তারুল ইসলাম, রেবেকা খাতুন ও নিছারন খাতুনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত গরুর মাংস ও নাড়িভুড়ি নাড়াচাড়া করায় তারা অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হয়েছে।
