টুইটার খ্যাতিতে মাতলেন পার্কার

আপডেট : ০৯ জুন ২০১৩, ১৯:৫৯
ফেসবুক দিয়েই আমাদের প্রতিটা দিন শুরু হয়, আর শেষ হয়ও সেটার সাথেই। অনেকের কাছে আবার এই ফেসবুক হলো সময় নষ্ট করার মেশিন। কিছু ক্ষেত্রে অবশ্য কথাটা সত্য। তবে আমাদের কাছে যেমনই হোক, ফেসবুক সব নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাথার উপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে। আর প্রায়ই এর প্রতিষ্ঠাতাদের নিয়ে খবর বের হচ্ছে। এর মূল কারণ হলো তরুণ প্রজন্ম। সম্প্রতি শোনা গেছে, ন্যাপস্টারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ফেসবুকের সাবেক প্রেসিডেন্ট শন পার্কার মাইক্রোব্লগিং জায়ান্ট টুইটারের অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। আরও জানা গেছে, এ সাইটটিতে অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথম টুইটেই তিনি ফেসবুক সিইও মার্ক জুকারবার্গের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। শন পার্কারের করা প্রথম টুইটটি ইতিমধ্যে শতবারেরও বেশি রিটুইট করা হয়েছে। প্রথম টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘স্যরি জুক, আমাকে টুইটারে অ্যাকাউন্ট খুলতেই হচ্ছে।’ শন পার্কারের এজেন্ট স্কুটার ব্রন তাকে টুইটারে অ্যাকাউন্ট খুলতে পরামর্শ দিয়েছেন। তবে প্রযুক্তিবিষয়ক প্রভাবশালী সাইট টেকক্রাঞ্চ মন্তব্য করেছে, এই অ্যাকাউন্ট আসলে শন পার্কারের দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনার অংশও হতে পারে। শন পার্কারের টুইটার ঠিকানা হচ্ছে অ্যাট স্পার্কার। ইতিমধ্যেই তার টুইটার অ্যাকাউন্ট চালু হবার পরপরই হাজারেরও বেশি ফলোয়ার জুটে গেছে। উল্লেখ্য, ‘দ্য সোস্যাল নেটওয়ার্ক’ সিনেমায় শন পার্কারের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন জাস্টিন টিম্বারলেক। এ ছবিটিতে তাকে যে চরিত্রে দেখানো হয়েছে সেটি পার্কারের পছন্দ হয়নি। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘আমার চরিত্র এমন নয়।’ ২০০৪ সালে তিনি ফেসবুকে জয়েন করেন। সেখানে অ্যাডভাইজার হিসেবে ছিলেন তিনি। এরপর সরাসরি বোর্ড অব ডিরেক্টরে। ৭% শেয়ারও ছিল তার। কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি অনেক বেশি বিখ্যাত হয়ে যান এই ফেসবুকের হাত ধরেই। তবে তার জীবনের একটি খারাপ অধ্যায়ের সূচনা হয় ২০০৫ সালে। তাকে ফেসবুক থেকে একরকম জোর করেই বের করে দেওয়া হয়েছিল। কোকেইন সেবনের অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে। সেই থেকে ফেসবুকের সাথে তার সম্পর্কের ইতি।