গল্প নয় সত্যি

নারীর হাসি বনাম নেতৃত্ব!

আপডেট : ১০ জুন ২০১৩, ১৯:৫৮
ছেলে হোক কিংবা মেয়ে, যে কারও ক্ষেত্রেই হাসিমুখ দেখতে সবার ভালো লাগে। এমনকি নানা ধরনের কাজে কিংবা সামাজিক উপস্থিতিতে হাসির আলাদা কদরও রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের হাসি নিয়ে গবেষণা চালানো একদল গবেষক দাবি করেছেন যেসব নারী অন্যদের তুলনায় কর্মক্ষেত্রে খানিকটা বেশি হাসিখুশি থাকেন তাদের মধ্যে নের্তৃত্বের আকাঙ্ক্ষা বা গুণ অন্যদের তুলনায় কম। যদিও পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের হাসিখুশি থাকা না থাকার সাথে নের্তৃত্ব গুণের সে অর্থে কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাননি গবেষকরা। আর মজার এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন জার্মানির টেকশিস ইউনিভার্সিটি অব মুঞ্চেনের গবেষকরা। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এমন একাধিক কর্মচারী ও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর পৃথকভাবে গবেষণা চালান। এ সময় প্রত্যেকের কাছেই তাদের অনুভূতি এবং প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। আর এই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় পুরুষ এবং নারীর ক্ষেত্রে নের্তৃত্বের ধারণায় যেমন পার্থক্য রয়েছে তেমনি পার্থক্য আছে তাদের ব্যক্তিগত চরিত্র বা প্রকাশভঙ্গির সাথে নেতৃত্ব গুণের সম্পর্কেও। এ কারণে নারীদের ক্ষেত্রে তাদের অনুভূতি বা ইমোশনগুলো নেতৃত্বের ক্ষেত্রে যতটা প্রভাব বিস্তার করে পুরুষদের ক্ষেত্রে সেটি ততটা বিবেচ্য হয়ে দাঁড়ায় না। তাছাড়া যেসব নারী সবসময় প্রাণোচ্ছল বা হাসিখুশি থাকেন তাদের মধ্যে নের্তৃত্ব দেওয়ার আকাঙ্ক্ষাটাও অন্য নারী বা পুরুষের তুলনায় কম। অথচ যেসব নারী খানিকটা গম্ভীর থাকেন বা যারা সে অর্থে সবকিছু নিয়ে মাথা ঘামান না বা স্বাধীনচেতা তাদের মধ্যে নেতৃত্ব গুণ বেশি। যদিও পুরুষদের ক্ষেত্রে হাসিখুশি বা গম্ভীর উভয় ধরনের ব্যক্তিত্বেই কমবেশি নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষা দেখতে পাওয়া যায়। তাই গবেষণার সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করতে যেয়ে গবেষকরা জানিয়েছেন, অত্যধিক হাস্যোজ্জ্বল পুরুষদের চেয়ে একই ধরনের নারীর মধ্যে নেতৃত্ব গুণ কম থাকে।