ভৈরব মেঘনা নদীর মূল অববাহিকা থেকে দুই কিলোমিটার উত্তর দিক দিয়ে ভৈরব পৌর এলাকার ও উপজেলার শিমুলকান্দি ও আগানগর ইউনিয়নের কোদালকাটির খালটি শুকিয়ে যাওয়ার কারণে সেচকার্যের তীব্র সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যুত্ ও ডিজেলের মাধ্যমে ওই সকল বোরো জমিতে সেচকার্য করা হচ্ছে। এলাকার কৃষকরা জানায়, যদি খালটিতে পানি থাকত তাহলে অনাবাদী জমিগুলোকেও চাষের উপযোগী করে তোলা যেত। শিমুলকান্দি ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের আদর্শ কৃষক চাঁন মিয়া (৪৫) বলেন, বোরো মৌসুমে ডিজেল ও ইউরিয়ার দাম বৃদ্ধির ফলে ডিজেল চালিত সেচযন্ত্র ব্যবহারকারী ভৈরব উপজেলার কৃষকদের অতিরিক্ত টাকা গুণতে হবে। ধানের দাম কমে যাওয়া ও উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার কৃষকরা দিশেহারা। গত বছর ৩ দফায় ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে মোট ১৫ টাকা বাড়ে। এখন প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে বিক্রি হচ্ছে ২/৩ টাকা বেশি দরে। এ ব্যাপারে ভৈরব উপজেলা চেয়ারম্যান ড. আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ বুলবুল জানান, আমার বাড়িও ওই এলাকায়। এক সময় চৈত্র মাসেও ওই খালে পানি থাকত। ওই খালটি যাতে তার পুরোনো যৌবন ফিরে পায় সে ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহিত যোগাযোগ করা হচ্ছে।
