রাজশাহীর বাঘা সীমান্ত এলাকায় চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও বন্দুক যুদ্ধে ১০ মামলার আসামি ও অত্র এলাকার মাদক সম্রাট জিয়ারুল ইসলাম কালু নিহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার কেশবপুর এলাকার একটি আম বাগানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কালু উপজেলার পাকুড়িয়া এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে বলে জানা গেছে।
এদিকে ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ৯ জন পুলিশ আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চারঘাট সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহসিন আলী জানান, চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপের মধ্যে (সংঘর্ষ) বন্দুকযুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে তাদের ছোড়া ইট-পাটকেল ও গুলিতে আহত হয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ মহসিন আলী নিজে, জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) উত্পল কুমার, এস আই উসমান গনি এবং বাঘা থানা উপ-পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম এবং বাঘা থানার দুজন কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও মাহাফুজুল আলম।
এদিকে ঘটনার এক পর্যায় চোরাকারবারিরা সেখান থেকে পালিয়ে গেলে উক্ত আম বাগানে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কালুর লাশ, এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন এবং দুইটি গুলি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কালুর নামে বাঘা ও চারঘাট থানায় একটি অস্ত্র মামলাসহ মোট ১০টি চোরাচালান মামলা রয়েছে বলেও নিশ্চিত করে পুলিশ।
