বিশ্বব্যাংকের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পদ্মা সেতুর পরামর্শক নিয়োগের দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের বিষয়ে করা তদন্ত রিপোর্ট গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিশ্বব্যাংকের গঠিত তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের করা তদন্ত রিপোর্ট গতকাল মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি ইয়োহানেস যুট অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রদান করেছেন। এ ব্যাপারে দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, প্রতিবেদনটি আমরা এখনো হাতে পাইনি। প্রতিবেদনটি না দেখে কিছু বলা যাবে না। তবে প্রতিবেদনটি দুদক গুরুত্বসহকারে দেখবে। প্রতিবেদনটি অবশ্যই কমিশন তার তদন্তের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেবে। অপরদিকে প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের বিষয়ে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের জন্য প্রতিবেদনে কিছু সুপারিশ রেখেছেন বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষকরা।
প্রসঙ্গত, লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পোর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের পর্যবেক্ষক দল দুই দফায় বাংলাদেশ সফর করে। এর প্রায় ৬ মাস পর গতকাল প্রতিবেদনটি অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রদান করা হলো।
উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত ১৭ ডিসেম্বর সাত জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় (মামলা নং-১৯) মামলা দায়ের করে দুদক। ওই মামলার সাত আসামি হলেন সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদৌস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রিয়াজ আহমেদ জাবের, ইপিসির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফা, কানাডীয় প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের ভাইস- প্রেসিডেন্ট কেভিন ওয়ালেস, আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস-প্রেসিডেন্ট রমেশ সাহা এবং সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইল।
