সিটি নির্বাচনে প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এখানে এসেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা। মঙ্গলবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আগেই মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনের পক্ষে গণসংযোগ শুরু করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু এমপি, তোফায়েল আহমেদ এমপি, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি, সাবেক চীফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, আফজাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, মনিরুল ইসলাম মানি এমপি, নূর নবী চৌধুরী শাওন এমপি ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহবুবুর রহমান হিরনসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। বিভিন্ন এলাকায় বিভক্ত হয়ে এসব নেতা গণসংযোগ করেছেন।
বিএনপি জোটের সমর্থিত প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের পক্ষে গণসংযোগে অংশগ্রহণ করেছেন মির্জা আব্বাস, আব্দুল্লাহ আল-নোমান, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় তারা ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। তাদের সঙ্গে উভয় জোটের ব্যবসায়ী নেতাদেরও রাজধানী থেকে এসে প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।
প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা চষে বেড়াচ্ছেন ভোটের মাঠ। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় তারা ভোটারদের এলাকায় গিয়ে উঠান বৈঠক ও হ্যান্ডবিল বিতরণের মাধ্যমে উভয় জোটের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
এদিকে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল গতকাল আব্দুল্লাহ আল-নোমান এর নেতৃত্বে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের র্যাব-পুলিশ হয়রানি করছে এ অভিযোগ এনে তারা এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। বিএনপি নেতারা বলেন, চলমান অবস্থা বহাল থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।
