সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে বনদস্যু বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ

আপডেট : ১২ জুন ২০১৩, ২৩:০৫
সুন্দরবনে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে বনদস্যুরা পিছু হটলে কোস্টগার্ড সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০০ রাউন্ড গুলি, পাঁচটি মোবাইল সেট ও বেশকিছু রামদা উদ্ধার করেছে। এসময় দস্যুদের আস্তানা ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। তবে কোস্টগার্ড কোন বনদস্যুকে আটক করতে পারেনি। বুধবার ভোরে সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের শিবসা নদীর গেওয়াখালী এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি জাহাঙ্গীর বাহিনীর বলে কোস্টগার্ড দাবি করেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি শটগান, ৬টি একনলা বন্দুক এবং ২০০টি বন্দুক ও শটগানের গুলি। মংলাস্থ কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের জোনাল কমান্ডার মাজেদুল হক সকালে বলেন, সুন্দরবনের জাহাঙ্গীর বাহিনী সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের শিবসা নদীর গেওয়াখালী এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ডের একটি দল এলাকায় অভিযানে যায়। এসময় জাহাঙ্গীর বাহিনী তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালালে কোস্টগার্ডও পাল্টা গুলি চালায়। থেমে থেমে প্রায় এক ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধ চলে। বুধবার ভোর সোয়া পাঁচটা থেকে সোয়া ছয়টা পর্যন্ত উভয়পক্ষে ত্রিশ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। একপর্যায়ে বনদস্যুরা পিছু হটলে কোস্টগার্ড সদস্যরা জাহাঙ্গীর বাহিনীর গড়ে তোলা আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র, গুলি, দেশি ধারালো অস্ত্র এবং মোবাইল সেট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলি খুলনার কয়রা থানায় হস্তান্তর করা হবে।