মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লা এবং মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে যথাক্রমে যাবজ্জীবন ও ফাঁসির রায় ঘোষণার পর গত ৯ ডিসেম্বর হরতাল চলাকালে জামায়াত-শিবির জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চালায়।
অভিযোগটি তদন্ত করে নিশ্চিত হওয়ার পর আন্দুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাখাওয়াত্ হোসেন এবং সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় সরকারের সম্পদ নষ্ট, জানমালের ক্ষতি, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে জীবননগর থানায় ৮টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় জীবননগর পৌর মেয়র মো. নোয়াব আলী, জীবননগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফারহানা আক্তার রিনি, জামায়াতে ইসলামী নেতা আন্দুলবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাখাওয়াত্ হোসেন এবং সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নানসহ দেড় সহস্রাধিক বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।
এ ব্যাপারে সীমান্ত ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হান্নানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে লিখিতভাবে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। তবে লোকমুখে বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি।
