সিরিয়ায় সরকারের সাথে সহিংসতায় আরো কিভাবে সহায়তা করা যেতে পারে এ নিয়ে এখন বিতর্ক শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রেই। গত বুধবার ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হগের সাথে এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি একথা বলেন। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে শুরু হওয়া সাম্প্রদায়িক হত্যাযজ্ঞ হওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত ডেইর আজ-জর প্রদেশের গ্রামে সিরিয়ান বিদ্রোহীদের হামলায় ৬০জন নিহত হয়েছে তখন এই কূটনৈতিক অগ্রগতির ঘোষণা আসলো। নিহতদের ভেতর অনেক সরকারপন্থি যোদ্ধা রয়েছেন। গত কয়েক মাস ধরে সিরিয়ার বিদ্রোহীদের অস্ত্র সহায়তা দেয়া হবে কি না এ বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছিল দেশটি। কিন্তু দেশটির এই যুদ্ধে লেবাননের সশস্ত্র শিয়া গ্রুপ হিজবুল্লার সংশ্লিষ্টতা বেড়ে যাওয়া এবং প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ সরকারকে ইরানের সমর্থন দেয়ার ইসুটি বর্তমানে আরো বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি বলেন, বিদ্রোহীরা যেহেতু তাদের ভূমির পরিবর্তন ও ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করতে চায় তাই দেশটির বিরোধীদের সমর্থন দেয়া যায় কি না সে বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করছি। তাছাড়া ওবামা প্রশাসন এই সপ্তাহে দেশটির বিদ্রোহীদের অস্ত্র দেয়ার ইস্যুতে আলোচনা করবেন বলে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন কেরি। আগামী সপ্তাহে উত্তর আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় উন্নত বিশ্বের সম্মেলন জি-৮ অনুষ্ঠিত হবার আগেই ঐ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
