তারুণ্য ডট কম

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৩, ২০:০২
গেম কর্নার ফিরছে লারা ক্রাফট বিখ্যাত গেমস টম রেইডারের কথা নিশ্চয়ই কমবেশি সবারই জানা। গেমের মূল চরিত্র লারা ক্রাফটকে মনে নেই এমন মানুষ কম পাওয়া যাবে। সেই লারা আবার আসছে গেমারদের মাতাতে। ছয় ছয়টা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দখলে তার। ১৯৯৬-এ মুক্তি পাওয়া এ গেমের দারুণ জনপ্রিয়তার ফলেই পরবর্তী সময় আরও সব গেম তৈরি হয় নারী চরিত্রকে মূল ধরে। তিন বছর বিরতির পর গেমিং কনসোলে ফিরেছে ‘টুম্ব রেইডার’-এর জনপ্রিয় গেমিং চরিত্র লারা ক্রাফট। তবে গেমটিতে পুরনো সঙ্গে নাকি কোনো মিলই নেই নতুন লারার। জানা গেছে, টুম্ব রেইডার সিরিজের নতুন গেমটিতে নেই জনপ্রিয় লারার পুরনো অনেক বৈশিষ্ট্যই। গেমে লারার চরিত্রটি এককথায় বলতে গেলে ভীতু এক প্রত্নতত্ত্ববিদের, যে কিনা অনিশ্চয়তায় ভোগে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েই। গল্পের পটভূমি গড়ে উঠেছে একটি দ্বীপকে কেন্দ্র করে। জাহাজডুবি হয়ে দ্বীপটিতে পৌঁছায় লারা এবং তার সহকর্মীদের দল। দ্বীপটিতে পৌঁছেই রহস্যময় স্থানীয় বাসিন্দাদের আক্রমণের শিকার হয় তারা। এক পর্যায়ে দলছুট হয়ে পড়া লারা লড়াই করতে থাকে জীবন বাঁচাতে। তবে গেমার লারার চরিত্রে যতোটাই অগ্রসর হবেন, পরিবর্তন আসবে লারার চরিত্রে। কয়েকটি রক্তক্ষয়ী ঘটনার মধ্য দিয়ে উন্মোচিত হবে চিরচেনা লারার দুর্দান্ত চরিত্র। এ কারণেই গেমটিকে রেটিং করা হয়েছে ১৭ বছরের বেশি বয়সী গেমারদের জন্য। গেমটি সম্পর্কে আরও জানতে :www.tombraider2013.com জানার দুনিয়া ফাইলজিলা আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ওয়েব সাইটের কাজ করেন। ইউনিভার্সিটি লেভেলের প্রজেক্ট ওয়ার্ক ছাড়াও বিভিন্ন ফ্রিল্যান্স সাইটগুলোর সাথে কাজ করে থাকেন। সাইটটি বানাবার বা ডিজাইন করার পর অনেকেই সমস্যায় পড়েন সাইট আপলোড করতে গিয়ে। সি প্যানেলে গিয়ে আপলোড করায় অনেক সমস্যা দেখা যায়। তারপর পুরো প্রসেসটা কিছুটা জটিলও। আর এই সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় ফাইলজিলা নামের একটি উপকারী সফটওয়্যার দিয়ে। এই সফটওয়্যারটির সুবিধা পেতে ব্রাউজ করুন :http://filezilla-project.org এই ঠিকানায়। এখান থেকে ডাউনলোডও করা যাবে। পড়াশোনা অনলাইন ফটো এডিটর আজকাল আমাদের সবার মোবাইলেই ক্যামেরা আছে যা দিয়ে আমরা প্রায় সব সময়ই ছবি তুলি। সেই ছবিগুলো এডিট করার জন্য রয়েছে নানা ধরনের সফটওয়্যার। যারা প্রফেশনাল কাজ করেন, তারা ফটোফপ ব্যবহার করেন। আর বেশির ভাগ মানুষই নরমাল সফটওয়্যার ব্যবহার করেন এডিট কিংবা ছবি দেখার জন্য। কিন্তু এটা করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক সময় জুম করার জন্য বা ক্যামেরার রেজুলেশন কম হওয়ার জন্য আমাদের অনেক সুন্দর ছবি ওয়াশ করতে পারি না বড় করে। বড় করে ওয়াশ করতে গেলে ছবি ফেটে যায়। আরও জানতে ভিজিট করুন : http:// download . cnet.com/ PhotoZoom-Pro/ 3000-12511_4-10578772.html রেড কার্পেট একজন মিলা জভোভিচ ১৯৭৫ সালে ইউক্রেনে জন্মালেও শেষতক লসঅ্যাঞ্জেলেসেই থিতু মিলা জভোভিচ। শৈশবেই মায়ের সঙ্গে বাবা বোগদান জভোভিচের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। মিলা থেকে যান মায়ের সঙ্গে। মা নামকরা রুশ মডেল, মঞ্চ অভিনেত্রী গ্যালিনা লগিনোভার কাছ থেকেই মূলত গান-বাজনা ও অভিনয়ে হাতেখড়ি। মেয়েকে গ্রহের সেরা মডেল, অভিনেত্রী করার স্বপ্ন দেখেছেন মা। তার স্বপ্ন পূরণে বা নিয়তির টানে হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনত্রী এখন পাঁচ ফুট আট ইঞ্চি উচ্চতার এই তারকা, মিলা জভোভিচ। মাত্র ১১বছর বয়সেই চোখে পড়েন বিখ্যাত ফটোগ্রাফার রিচার্ড অ্যাভডনের। মূলত তার হাত ধরেই মডেলিংয়ে পা রাখা। প্রথম দেখাতেই মায়ের কাছে মিলাকে ফটো মডেল বানানোর প্রস্তাব দেন রিচার্ড। বাধা দেননি মা। প্রথমবার একটি ইতালিয়ান ম্যাগাজিনের কভারগার্ল হন মিলা। ওই পিচ্চি বয়স থেকেই মডেলিংকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। মডেলিংয়ের পাশাপাশি ভেতরে ভেতরে অভিনয়ের সবসময়ই একটা বাসনা ছিলো মিলার। আর সেই আগ্রহ থেকেই ১২ বছর বয়স থেকে টেলিভিশনে টুকটাক অভিনয় শুরু করেন। ১৯৯১ সালে ‘রিটার্ন টু দ্য ব্লু লেগুন’-এ মূল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় আসেন। তার সম্পর্কে আরও জানতে: http://www.millaj.com/