থানা হাজতে মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রায়পুর থানায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় অজ্ঞাত ৩শ’ ব্যক্তিকে আসামী করে থানায় মামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে থানার এএসআই মোস্তফা আল মামুন বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে আসামীদের বিরুদ্ধে থানায় হামলা, ৬ জন পুলিশকে আহত করা, মোটর সাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করার অভিযোগ আনা হয়। নিজ স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক নিরোধ আইনে করা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী চরপাতা গ্রামের রিকশাচালক জয়নাল আবেদিনকে (৩৪) পুলিশ বুধবার রাতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর থানা হাজতে তার মৃত্যু হয়। পুলিশি নির্যাতনে জয়নালের মৃত্যু হওয়ার অভিযোগ এনে ওইদিন নিহতের স্বজনরা ও এলাকার লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলাসহ সড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মজুমদার জানান, পুলিশের নির্যাতনে নয়, হাজতে জয়নাল আত্মহত্যা করেছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মাসুদুল হক জানান, তিনি নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছেন। নিহত ঘটনাটির কারণ বের করার জন্য তদন্ত চলছে। নিহতের ভাই আবদুল জলিল জানান, পুলিশি নির্যাতনে জয়নালের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের পক্ষ হতে এ ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
