যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের বটতলাস্থ বাসভবনে বৃহস্পতিবার রাতে দফায় দফায় অভিযান চালিয়েছে র্যাব ও পুলিশ। আলাল ইত্তেফাককে জানান, রাতে তিন দফায় র্যাব ও পুলিশ গিয়ে তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বরিশাল ত্যাগ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। আলাল তখন র্যাব ও পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তিনি তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই বাড়িতে থেকেই তিনি বাবুগঞ্জ- উজিরপুর আসনে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়েছে কখনো তাকে বাবুগঞ্জ বা উজিরপুর এলাকায় যেতে বলা হয়নি। অথচ র্যাব-পুলিশ তাকে ঢাকার মোহম্মদপুর চলে যেতে বলেন। না গেলে পরবর্তীতে লিখিত আদেশ নিয়ে তাকে বরিশাল ছাড়া করা হবে বলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আলালকে জানিয়ে দেন। গতকাল শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত আলাল বরিশাল নগরীতে অবস্থান করেছিলেন। দুপুরে তিনি বিএনপি আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হন। একই রাতে র্যাব কাউনিয়া এলাকা থেকে মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের সমর্থক কাউনিয়ার বিএনপি নেতা বাবলা, করিম কুটির থেকে আল-আমিন ও গতকাল আমানতগঞ্জ এলাকা থেকে সাইদুল ইসলাম পলুকে গ্রেফতার করে। বিএনপি নেতা এবায়দুল হক চান ইত্তেফাককে জানান, র্যাবের হাতে গ্রেফতারকৃত তিনজনকে অস্ত্র দিয়ে চালান দিয়েছে র্যাব। পুলিশ জানিয়েছে কোতয়ালী থানায় আল-আমিনকে ও কাউনিয়া থানায় বাবলাকে অস্ত্রসহ সোপর্দ করেছে র্যাব-৮। পলুকে এখনো কাউনিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়নি। তবে নিলয় নামে আরো এক বিএনপি কর্মীকে মোটরসাইকেলসহ র্যাব সদস্যরা আটক করে কাউনিয়া থানায় সোপর্দ করেছে। র্যাবের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকায় অধিকাংশ বিএনপি নেতা-কর্মী গা-ঢাকা দিয়েছেন। বিএনপি’র কর্মী-সমর্থকদের মাঝে চরম আতংক দেখা দিয়েছে।
