বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গত ৪ দিনে ৮ জন বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। পারিবারিক কলহ ও মা-বাবার সাথে অভিমান করে ঘটেছে এসব আত্মহত্যার ঘটনা। স্থানীয় বিশিষ্টজনরা জানিয়েছেন, উপজেলায় আশংকাজনকহারে বিষপানে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মধ্য শিহিপাশা গ্রামে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে আলাউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ইউসুফ হাওলাদার (৩২) গত ৯ জুন রবিবার বিষপান করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় গত সোমবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। একইদিনে উপজেলার বড়বাশাইল গ্রামের পশ্চিমপাড়ার প্রিয়লাল কর্মকারের ভাগ্নে মুশুরিয়া গ্রামের নিখিল গুপ্তের ছেলে ১০ম শ্রেণির ছাত্র সবুজ গুপ্ত পারিবারিক কলহের কারণে বিষপান করে। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এছাড়াও পারিবারিক কলহের কারণে গত ১১ জুন মঙ্গলবার সকালে বিষপান করে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের সাহেবেরহাটের শশধর হালদারের মেয়ে। মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। অন্যদিকে জবসেন গ্রামের মিরণ সিকদারের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে গত বৃহস্পতিবার বিষপান করে। আশংকাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা যায়, কারফা গ্রামের যতীন মজুমদারের স্ত্রী ও ২ সন্তানের মা গত ১১ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের কারণে কীটনাশক পানে আত্মহত্যার করে। মুমূর্ষু অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে রামানন্দের আঁক গ্রামের নরেশ হালদারের কন্যা ও ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে মা-বাবা লেখাপড়া নিয়ে গত ১২ জুন বুধবার বকাবকি করে। তখন মেয়েটি তাদের সঙ্গে অভিমান করে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে। গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
