ভোলায় ১০ হাজার টন খাদ্য উত্পাদন কম হচ্ছে

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৩, ২৩:১৯
ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের কারণে এবারের রবি মৌসুমে ভোলায় ১০ হাজার টন খাদ্য উত্পাদন কম হচ্ছে। এ কারণে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব পড়ার পাশাপাশি ভোলার কৃষকদেরও মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়তে হবে। ভোলা একটি খাদ্যশস্যে উদ্বৃত্ত এলাকা। কৃষকরা ঋণ নিয়ে ধান ও রবিশস্য ফলায়। এবারও ক্ষেতে রবিশস্যের কমতি ছিল না। ইরি-বোরোর ফলনও ভালো ছিল। অনেক কৃষকের ব্যাংক কিংবা বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নেয়া আছে। এসব ঋণ পরিশোধ করাও কঠিন হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসন অথবা সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ভেস্তে গেছে। রবি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি শত শত কৃষককে হতাশাগ্রস্ত করে তুলেছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের রবি মৌসুমে ভোলায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৭শ’ ৫ হেক্টর জমিতে বোরো, মুগ ডাল, তিল, চিনাবাদাম, মরিচ ও শাক-সবজির আবাদ করা হয়েছে। এতে ২ লাখ ৮৩ হাজার ৭শ’ ১২ টন ফলন উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু মহাসেনের আঘাতে এবার ৬ হাজার ৩শ’ ৬৫ টন ফলন কম হচ্ছে। কৃষকদের দাবি বোরো, মুগ, তিল, চিনাবাদাম, মরিচ ছাড়াও অন্যান্য ফসল মিলিয়ে এর পরিমাণ হবে অন্তত ১০ হাজার টন। এ ব্যাপারে ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উপ-পরিচালক শান্তি রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভোলায় ২৯ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমির ফসল মহাসেনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ ৮০ একর জমির ফসল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। যার মূল্য ১৭ কোটি টাকা। বর্তমান সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এসে দাঁড়াবে এমনটাই আশা করা যাচ্ছে।