আমেরিকায় শ্বেতাঙ্গ শিশুরা সংখ্যালঘু হয়ে যাচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রে জাতিগত ও নৃতাত্ত্বিক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর শিশুদের সংখ্যা বেড়ে প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, এই প্রথম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের সংখ্যা এই পর্যায়ে ৪৯ দশমিক ৯ ভাগে চলে গেছে। ২০১২ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার হিসাব প্রাথমিক হিসাব এটি। সার্বিকভাবে অশ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা ১.৯ শতাংশ বেড়ে ১১ কোটি ৬০ লাখ হয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যার ৩৭ ভাগ। আদমশুমারি ব্যুরো এক বছর আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রে সংখ্যালঘুদের শিশুদের চেয়ে শ্বেতাঙ্গ শিশুদের সংখ্যা কমে গেছে। এরফলে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমশক্তি ও অর্থনীতিতে সংখ্যালঘু তরুণদের গুরুত্ব স্বীকৃতি দেয়ার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করলেন ব্রুকলিন ইনস্টিটিউটের জনসংখ্যাবিদ উইলিয়াম এইচ ফ্রে। অভিবাসীদের আগমন ও জন্মহার বেশি হওয়ায় বিশেষ করে হিস্পানিকদের জন্মহার বেশি হওয়ায় সংখ্যালঘুদের সংখ্যা শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে বেড়ে যাচ্ছে। আদমশুমারি ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক থমাস মেসেনবার্গও স্বীকার করলেন, বর্তমান জন্মহার অনুযায়ী চলতি বছরেই অথবা আগামী বছরের মধ্যেই পাঁচ বছরের কম বয়সী শ্বেতাঙ্গ শিশুরা সংখ্যালঘু হয়ে যাবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যেও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সংখ্যা অর্ধেকের বেশি হয়ে যাবে।
নারীও হতে পারেন দালাই লামা
তিব্বতের ধর্মগুরু দালাই লামা বলেছেন, কোন নারীও হতে পারেন দালাই লামা। কোন নারীর মধ্যে সেই যোগ্যতা ও চালিকাশক্তি থাকলে তিনিও অলঙ্কৃত করতে পারেন বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরুর আসন। নিজের মুখেই এই কথা জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফররত বৌদ্ধধর্মগুরু দালাই লামা। দশদিনের অস্ট্রেলিয়ায় আছেন ৭৭ বছরের দালাই লামা। তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড। এক অনুষ্ঠানে গিলার্ডের সামনে তিনি বলেন, পরিবেশ পরিস্থিতি যদি সেরকম হয় সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই একজন নারী দালাই লামা হতে পারেন। বৌদ্ধধর্মে লিঙ্গ বৈষম্যের জায়গা নেই। তাছাড়া ঈশ্বরের উপাসক হিসেবে ও মানবজাতির সেবিকা হিসেবে মহিলারা পুরুষদের থেকে বেশি সহানুভূতিশীল, সহমর্মী ও সংবেদনশীল হন। প্রাকৃতিক কারণেই মহিলাদের মনের জোর অনেক বেশি। তাই নারী দালাই লামা না হওয়ার কোন কারণ নেই। ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী দালাই লামার এই বক্তব্যের প্রশংসাও করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী গিলার্ড। বর্তমান দালাই লামা তেনজিং গিয়ােসা ১৯৫০ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পাকিস্তানে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে
পাকিস্তানের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বিদ্যুত্ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, তালেবান ইস্যুসহ নানা সমস্যার মধ্যেই দায়িত্ব নিয়েছেন। এরমধ্যেই সমস্যা সমাধানের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। গত শুক্রবার জ্বালানি সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সায় দিয়েছেন। ১ জুলাই থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে। জ্বালানি সংকট দূর করতে অবিলম্বে ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পাকিস্তানে এখন সাড়ে চার হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুত্ ঘাটতি আছে। এ কারণে ব্যাপক লোডশেডিং চলছে। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ দায়িত্ব নেয়ার পর বিদ্যুত্ সংকট মোকাবেলায় এই খাতকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলেছেন। মূলত বিদ্যুত্ সংকটসহ নানা সমস্যায় অতিষ্ঠ হয়েই ভোটাররা বিগত পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সরকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ফলে সহজেই ক্ষমতায় আসে পাকিস্তান মুসলিম লীগ (পিএমএল-এন)।
