হরিণাকুণ্ডে গ্রেফতার এড়াতে জামায়াতের নতুন কৌশল!

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৩, ২০:৫৫
হরিণাকুণ্ডুতে জামায়াত শিবির গ্রেফতার এড়াতে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে থানায় তদবির করছে দলের মহিলা সদস্যরা। গত ৩মার্চ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জামায়াতে ইসলামের ডাকা হরতালে জামায়াতের সহিংসতায় ওমর ফারুক নামে একজন পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা করলে ২২০জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৬ হাজার অজ্ঞাত বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীর নামে মামলা হয়। এই মামলায় গ্রেফতার এড়াতে নেতা-কর্মীরা পলাতক থাকেন এবং দীর্ঘদিন যাবত্ পুলিশী তত্পরতা না থাকায় জনমনে সন্দেহের দানা বাঁধে। কিন্তু হঠাত্ করে পুলিশি তত্পরতা বৃদ্ধি পায় এবং গত ৭জুন ভাতুড়িয়া জামে মসজিদ ঘেরাও করে বিল্লাল হোসেন নামে একজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করলে ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গুড়পাড়া ভাতুড়িয়া গ্রামের জামায়াতের এক মহিলা কর্মী ১৭জন এজাহারভুক্ত আসামির কাছ থেকে গ্রেফতার এড়াতে ১ লাখ ৭০হাজার টাকা চুক্তি করে এবং হরিণাকুণ্ডু থানার ২জন এস আই-এর কাছে ১ লাখ টাকা দেন। সে কারণে আসামি গ্রেফতার থেমে যায়। কিন্তু গত ৪ তারিখে এস আই নিরব থানায় যোগদান করার পর গ্রেফতার অভিযান পুনরায় শুরু হয়। আসামিরা পুলিশের ভয়ে আবার পলাতক হলেও তাদের পরিবার মহিলার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে জামায়াতের সেই মহিলা কর্মী গা ঢাকা দিয়েছেন।