সুন্দরগঞ্জ শিক্ষা অফিসে হয়রানির অভিযোগ

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৩, ২০:৫৬
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসে পিটিআই প্রশিক্ষণ, পেনশন বইয়ে নমিনির নাম সংযুক্তকরণ, সার্ভিস বই সংশোধন, ইনক্রিমেন্ট সংযোগ, সুবিধাজনক স্থানে বদলি, ডেপুটেশন, বিস্কুটের বরাদ্দসহ বিভিন্ন ধরনের কাজে উেকাচ দিতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, কে কৈ কাশদহ রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় অর্ধশতাধিক সিনিয়র শিক্ষকের পিটিআই প্রশিক্ষণের নাম না পাঠিয়ে এক অফিস সহকারী উেকাচ গ্রহণের মাধ্যমে ৪৫ জন জুনিয়র শিক্ষকের তালিকা প্রেরণ করেছেন। এজন্য কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রকাশ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন ভাতা গ্রহণে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। যারা বিশেষ সুবিধার শর্ত পূরণ করছেন তাদের কাজই হচ্ছে। পেনশনগ্রহীতার মৃত্যুর পর পারিবারিক পেনশনের জন্যও তার পরিবারকে হয়রানিসহ নাজেহাল হতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার অধিকারী জানান, তিনি অল্পদিন হয় এখানে যোগদান করেছেন। তাই সবকিছু এখনো বুঝে উঠতে পারেননি। জুনিয়র শিক্ষকদের তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন- প্রশিক্ষণে যাদের নাম পাঠানো হয়েছে তাদের মধ্য থেকে কেউ যদি প্রশিক্ষণে যেতে না পারে তাহলে আগ্রহীদের পাঠানো হবে।